Sunday, September 3, 2023

12)> বাংলা প্রবাদ-প্রবচন

 12)> বাংলা প্রবাদ-প্রবচন


হরি ঘোষের গোয়াল বলা -----

হরি ঘোষ অতিশয় দক্ষ ছিলেন বাংলা, ফার্সি ও ইংরেজিতে। 
তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মুঙ্গের দুর্গের দেওয়ান ছিলেন। 

 তিনি অবসরের পর প্রচুর অর্থ জনহিতকর কাজে ব্যয় করতেন। উত্তর কলকাতায় তার বাড়িতে বহু ছাত্র থাকা খাওয়ার সুযোগ পেত। এছাড়া তার বিশাল বৈঠক খানায় শত শত নিষ্কর্মা লোকও তার উদারতার সুযোগে সেখানে আড্ডা দিত ও খাওয়া দাওয়া করতো। 
গরুরা যেমন গোয়ালের ভেতর শুয়ে বসে জাবড় কাটে আর 'হাম্বা' ডাক ছাড়ে, এদের অবস্থা হরি ঘোষের বাড়িতে ছিল এরকমই। সেই কারণে কোনো বাড়ি বা স্থানে অনেক লোকের হৈ চৈ বা কোলাহল থাকলে তাকে হরি ঘোষের গোয়াল বলা হয়।
--------------------- ---------------------
*ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে:----

সুপ্রাচীনকাল থেকেই জ্বালানি হিসেবে এদেশের গ্রামাঞ্চলে ঘুঁটে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। গোবরের সাথে কাঠ কয়লার গুঁড়া বা ধানের তুষ মিশিয়ে গোল চাকতির মতো বানিয়ে শুকনো হয় ও পরে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ গোবরের অমোঘ পরিণতি হচ্ছে তার থেকে ঘুঁটে হবে এবং সেই ঘুঁটেকে আগুনে পুড়তে হবে। অনেক ব্যক্তি অন্যের দুঃখ কষ্ট দেখে সাময়িক আনন্দ পেলেও তাকেও যে ঐ ধরণের যন্ত্রণা পেতে হতে পারে তা ভাবে না। কারণ সুখ দুঃখ চক্রাকারে আসে। এ ধরণের মানুষের পরিণতি বোঝাতে আলোচ্য প্রবাদের উৎপত্তি। ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে। 
--------------------- ---------------------
*চিত্রগুপ্তের খাতা:---

সনাতন ধর্ম অনুসারে, চিত্রগুপ্ত হচ্ছেন যমরাজের কেরানি বা হিসাব রক্ষক। তিনি মানুষের জীবনের সব কাজের হিসেব রাখেন। তার কাজে কখনো ভুল হয় না। আর এজন্য মানুষ কোনো কাজ করার আগে ভাবে সে যা করছে তা অদৃশ্য কেউ অর্থাৎ চিত্রগুপ্ত লিখে রাখছেন। অদৃষ্টের লিখন অথবা ভাগ্যের অমোঘ বিধান বোঝাতে চিত্রগুপ্তের খাতা বোঝানো হয়।
--------------------- ---------------------
*ওঝার ব্যাটা বনগরু:

কোনো জ্ঞানি ব্যক্তির ছেলে যদি মূর্খ হয় তবে তাকে বোঝাতে এ প্রবাদ ব্যবহৃত হয়। ওঝা শবটি এসেছে সংস্কৃত উপাধ্যায় থেকে (উপধ্যায়>উবজঝাঅ>ওঝাঅ>ওঝা)। উপাধ্যায় হচ্ছেন শিক্ষক বা পন্ডিত , এর প্রাকৃত রূপ উবজঝাঅ। তা থেকে এসেছে ওঝা। প্রাচীন ব্রাক্ষণদের মাঝে ওঝা পদবির প্রচলন ছিল, যা দ্বারা জ্ঞানী বোঝাতো। বনগরু এসেছে সংস্কৃত শব্দ গবয় থেকে, যা দ্বারা গলকম্বলহীন গরুর মতো বন্য প্রাণীকে বোঝায়, যারা তেমন কাজে আসে না।

--------------------- ---------------------
*শিখণ্ডী খাড়া করা:---

আড়াল থেকে অন্যায় কাজ করা। যার আড়ালে থেকে এ কাজ করা যায় তাদের বলে শিখণ্ডী। মহাভারতের কাহিনী অনুসারে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অর্জুন ও ভীষ্মের মাঝে প্রচন্ড যুদ্ধ হচ্ছিল। অর্জুন তার সামনে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন শিখণ্ডীকে। শিখণ্ডী সামনে থাকায় ভীষ্ম কোনো অস্ত্র প্রয়োগ করেন নি। ফলে তাকে হত্যা করেন অর্জুন, যা ছিল যুদ্ধনীতির পরিপন্থী ও অন্যায়।
--------------------- ---------------------
*থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোর:
একই কথার অর্থহীন পুনরাবৃত্তি।

#শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
যে থানে শুঁচী না জাএ।
তথাঁ বাটিআ বহাএ।।(#তাম্বুলখন্ড)
অর্থ: যেখানে সূচ প্রবেশ করতে পারে না সেখানে রজ্জু ঢোকানো যা করা অসম্ভব।
* মাকড়ের হাথে যেহ্ন ঝুনা নারীকল (#দানখন্ড)
অর্থ: বানরের হাতে যেমন ঝুনা নারকেল। বানর ঝুনা নারকেল খেতে পারে না। এটি ব্যঙ্গার্থে ব্যবহৃত হয়।
* ললাট লিখিত খন্ডন না জাএ।
অর্থ: ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন।

* দেখিল কোকিল বেল গাছের উপরে।
আরতিল কাক তাক ভখিতেঁ না পারে। 
অর্থ: বেল পাকলে কাকের কিছু আসে যায় না কারণ বেল শক্ত বলে কাক থেতে  পারে না।

* আপণার মাঁসে হরিণী জগতের বৈরি 
অর্থ: নিজ মাংসের জন্য হরিণ জগতের সবার শত্রু।

* মুদিত ভান্ডারে কাহ্নাঞিঁ না সাম্বাএ চুরী। (#নৌকাখন্ড)
অর্থ: রুদ্ধ ভান্ডারে চোর প্রবেশ করতে পারে না।

* হাত বাঢ়ায়িলেঁ কি চান্দের লাগ পাই (#ভারখন্ড)
অর্থ: হাত বাড়ালে কী চাঁদকে স্পর্শ পাওয়া যায়?

* হাত পাতিয়াঁ কেহ্নে নাহিঁ দেহ ভাত।(বৃন্দাবনখন্ড)
অর্থ: পাত পেতে কেন ভাত দাও না। আশা নিয়ে থাকা কাউকে আশাহত করা।

* যার কান্ধ বসে দোষর মাথা(#কালীয়দমনখন্ড)
অর্থ: এখানে , যার কাধেঁ দুটি মাথা আছে সেই কেবল রাধার সাথে কথা বলতে পারে বুঝানো হয়েছে।

* দৈব নিবন্ধন খন্ডন না জাএ।(#বংশীখন্ড)
অর্থ: ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন।

* যে ডালে করো মো ভরে।
সে ডাল ভাঙ্গিয়া পড়ে।। (#রাধাবিরহখন্ড)
অর্থ: যে ডালে আশ্রয় লাভ করা যায় সে ডাল ভেঙ্গে পড়ে আশাহত হওয়া।

#চর্যাপদ:
* হাথেরে কাঙ্কাণ মা লৌউ দাপণ (৩২ নং পদ)
অর্থ: হাতের কঙ্কণ আছে কিনা তা দেখার জন্য তো আর আয়না/দর্পনে দেখতে হয় না।
* আপনা মাংসেঁ হরিণা বৈরী (৬নং পদ)
অর্থ: হরিণ তার নিজের মাংসের জন্য নিজের শত্রু।
* হাঁড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী (৩৩ নং পদ)
অর্থ: হাঁড়িতে ভাত নেই অথচ নিত্য অথিতি এসে ভিড় করে।
* দুহিল দুধ কি বেন্টে ষামায় (৩৩নং পদ)
অর্থ: দোয়ানো দুধ কী বাটে প্রবেশ করে।
* সরস ভণিন্ত বর সুণ গোহালী কিমো দুঠ্য বলন্দেঁ। (৩৯ নং পদ)
অর্থ: দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভাল।
* আণ চাহন্তে আণ বিণঠা।

#রামায়ণ:
* পিঁপিলিকার পাখা উঠে মরিবার তরে।
অর্থ: একটি বিশেষ সময়ে পিপীলিকার পাখা গজায়। অতপর তারা আলোর দিকে ছুটতে থাকে। এভাবে একসময় সে মারা যায়।
* দৈবের লিখন কভু না যাবে খন্ডন।
অর্থ: ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন।
* বামন হইয়া হাত বাড়াইলে চাঁদে।
অর্থ: বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়ানো। এমন কিছু আপনি পেতে চাইছেন যা পাওয়ার যোগ্য আপনি নন বা যা আপনার সাধ্যের বাইরে।

#মহাভারত:
* পরে নিন্দ নাহি দেখ ছিদ্র আপনার।
অর্থ: পরের নিন্দা কর অথচ নিজের দোষ চোখে পড়ে না।
* ব্যাগ্র নাহি জন্ম লয় মৃগীর উদরে।
অর্থ: মৃগীর গর্ভে কখনো বাঘের জন্ম হয় না। আম গাছে কখনো জাম/কাঁঠাল ধরে না এমন।
* অগ্নি, ব্যাধি, ঋণ- এ তিনের রেখো না চিন।
অর্থ: আগুন, অসুখ, ঋণ এ তিনটির চিহ্ন রাখা উচিত না। বা শেষ রাখা উচিত না, অবহেলা করে সামান্য রেখে দিলে পরে তা আরো বাড়তে পারে।

#শ্রীকৃষ্ণবিজয়:
* নির্ধন পুরুষের ভয় নাহিক সংসারে।
অর্থ: নেংটার নেই বাটপারের ভয় এর মত।
* কর্ণধার বিনে কবু নৌকা নাহি যায়।
অর্থ: কেউ হাল না ধরলে/কাজ না করলে আপনা আপনি কোন কিছু হবে না।

#মনসামঙ্গল:
* দৈবের নির্বন্ধ কভু খন্ডন না যায়
অর্থ: ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন।
* বিনে শুদ্ধিতে ঘরে গেলে লোকে না বলে।
অর্থ: বিনা শুদ্ধাচরে গৃহে প্রবেশ করলে লোকনিন্দার ভয় থাকে।
* বালকের মুখে যেন ঝুনা নারিকেল
কাকের মুখেতে যেন দেখি পাকা বেল।
অর্থ: কঠিন / অসম্ভব কিছু।
* বৈপত্ত্যের কালে কেহ নাহি মিলে সখা।
অর্থ: বিপদের সময় বন্ধু পাওয়া যায় না।
* বামন হৈয়া ধরিতে চাহ আকাশ।
অর্থ: যা সম্ভব না তা পেতে বা করতে চাওয়া।

#চন্ডীমঙ্গল:
* জন্ম লভিলে আছে অবশ্য মরণ।
অর্থ: জন্ম নিলে মৃত্যুবরণ করতে হবেই।
* দুগ্ধ দিয়া কেন পোষ কাল সাপ।
অর্থ: দুধ কলা দিয়ে কাল সাপ পোষ ঠিক না বা বোকামি।
* আপনি রাখিলে রহে আপনার মান।
অর্থ: নিজের সম্মান নিজে রাখতে জানলে থাকে।
* দারিদ্রে কেহ না সম্ভোষে।
অর্থ: দরিদ্র মানুষকে কেউ ভালবাসতে/সমাদর করতে চায় না।
* উচিত কহিতে আমি সবাকার অরি।
অর্থ: উচিত কথা বলায় আমি সবার শত্রু/ অপ্রিয় সত্যভাষী মানুষকে কেউ পছন্দ করতে চায় না।

#শিবায়ন:
* গৃহস্থের ধর্ম্ম নহে শ্মশান নিবাস।
অর্থ: গৃহস্থের শ্মশানে বাস করা সাজে না।

#ধর্মমঙ্গল:
========
* অসত্য সমান পাপ নাহিক সংসারে।
অর্থ: পৃথিবীতে অসত্যের মত পাপ আর নেই।

#গোরক্ষবিজয়:
* শক্তি বিনে সৃষ্টি করে কার হেন শক্তি।
অর্থ: যোগ্যতা ছাড়া কেউ কিছু করতে পারে না।

#শূণ্যপুরাণ: (রামাই পন্ডিত) [এটি অন্ধকার যুগে লিখিত]
* আড়াঅ বাঘর ভঅ জলত কুম্ভীর।
অর্থ: উভয় সংকটে পড়া।

#পদ্মাবতী: (আলাওল)
পড়শী হইলে শত্রু গৃহে সুখ নাই
অর্থ: কাছের মানুষ শত্রু হলে ঘরে আর সুখ থাকে না।

#লায়লী মজনু (দৌলত উজির বাহরাম খান)
* কাকের মুখে যেন সিন্দুরিয়া আম।
অর্থ: অযোগ্য/অনুপযুক্ত লোকের অমূল্য ধনের অধিকারী হওয়া।

#দাশরথি রায়ের প্যাঁচালি:
* মুখে মধু, অন্তরে বিষ।
অর্থ: বাইরে একরকম ভিতরে অন্যরকম/ বাইরে ভাল আচরণ কিন্তু ভিতরে কপটতা।
* একে মনসা, তাতে ধুনোর গন্ধ
অর্থ: এমনিতে ক্ষিপ্ত তার উপরে ফোড়ন কাটা।

#গোপাল উড়ে:
* কাটা গায়ে নুনের ছিটে।
অর্থ: এক কষ্টের উপর আরেক কষ্টঅ
* পেটে নাই বিদ্যার অংশ, ক অক্ষর গো মাংস।
অর্থ: মুর্খ/নিরক্ষর।
* গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।
অর্থ: যা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই তার জন্য আগে থেকে আশা করে থাকা।

#প্রবোধচন্দ্রিকা: (মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার)
* গড্ডলিকা প্রবাহ:
অর্থ: স্রোতে গা ভাসিয়ে দেয়া।

#আলালের ঘরের দুলাল (প্যারিচাঁদ মিত্র/ টেকচাঁদ ঠাকুর)
* এর মুন্ডু ওর ঘাড়ে।
অর্থ: একের জিনিস অপরকে চাপানো।
* অরণ্যে রোদন করা।
অর্থ: নিষ্ফল আবেদন।

#হুতোম প্যাঁচার নকশা (কালীপ্রসন্ন সিংহ)
* কঞ্চিতে বংশলোচন জন্মান।
অর্থ: হীন বংশে মহতের জন্মলাভ।

#সামাজিক রোগের কবিরাজী চিকিৱসা: (দ্বিজেন্দ্রলাল রায়)
* পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে।
অর্থ: অভিজ্ঞতা অত্যন্ত মূল্যবান।

#বিষাদসিন্ধু (মীর মোশাররফ হোসেন)
* বিড়াল তপস্বী।
অর্থ: লোভী ব্যক্তির সাধুতার ভাণ।

#হাটে হাড়ি ভাঙ্গা প্রবন্ধ (রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী)
* হাটে হাড়ি ভাঙ্গা।
অর্থ: গোপন কথা ফাঁস করা।

#ধর্ম্মঘট প্রবন্ধ (রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী)
* ঢাকে কাঠি পড়া।
অর্থ: কোন অনুষ্ঠানের সূচনা হওয়া।

#অতির_গতি’ প্রবন্ধ: (বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর)
====================
* অতি দর্পে হত লঙ্কা।
অর্থ: অহংকার পতনের মূল।
* অতি লোভে তাঁতী নষ্ট।
অর্থ: বেশি লোভ করা ভাল না।
* কথার ঢেঁকি কাজে ছাই।
অর্থ: কাজের পারদর্শী না অথব কথা বেশি বলে।
* অধিক সন্ন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট।
অর্থ: প্রয়োজনের অতিরিক্ত লোক যেকোন কিছুতে বিশৃঙ্খলার কারণ হয়।
* অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ
অর্থ: যারা অধিক ভক্তি দেখায় প্রকৃতপক্ষে তারা ভক্তিহীন।
* অতি বড় রুপসী না পায় বর/অতি বড় ঘরণী না পান ঘর।
#হবুচন্দ্ররাজার গবুচন্দ্রমন্ত্রী: (দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার)
====================
* হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী।
অর্থ: স্থুল বুদ্ধিসম্পন্ন রাজার নির্বোধ মন্ত্রী।
--------------
#কুলীনকুলসর্বস্ব (রামনারায়ন তর্করত্ন)
====================
* উত্তম-মধ্যম দেওয়া।
অর্থ: প্রহার করা।
--------------
#একেই কি বলে সভ্যতা: (মধুসূদন দত্তের প্রহসন)
====================
* কুলোর বাতাস দিয়ে দূর করা।
অর্থ: চরম অপমান করে বের করে দেওয়া।
----------------
#বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ(মধুসূদন দত্তের প্রহসন)
====================
* গতস্য শোচনা নাস্তি।
অর্থ: যা অতীত হয়েছে তা নিয়ে চিন্তা করা নিষ্প্রয়োজন।
---------------
#শর্মিষ্ঠা: (নাটক, মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
====================
* পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা।
অর্থ: পরের ক্ষতি করে নিজে লাভবান হওয়া।
----------------
#পদ্মাবতী(নাটক, মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
====================
* বিষকুম্ভ, পয়োমুখম।
অর্থ: অন্তরে বিষ, মুখে মধু।
---------
#চলচ্চিত্ত-চঞ্চরি (ব্যাঙ্গনাটক, সুকুমার রায়)
====================
* ঢাক ঢাক গুড় গুড়।
অর্থ: কোন কিছু গোপন করার চেষ্টা।
---------------------
#নীলদর্পন: (দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* কীটস্য কীট।
অর্থ: অতি নগণ্য ব্যক্তি
---------------
* ঠক বাঁচতে গা উজাড়
অর্থ: সাধু ব্যক্তি খোজে পাওয়া দায়।
---------------
* নিজের চরকায় তেল দেহ (দাও)।
অর্থ: অনধিকার চর্চায় সময় নষ্ট না করে নিজের স্বার্থ সিদ্ধি করা।

---------------
#জামাই বারিক (প্রহসন, দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* জোর যার মুল্লুক তার।
অর্থ: শক্তিবান বলপ্রয়োগে যা ইচ্ছা অধিকার করতে পারে।
------------------
#সধবার একাদশী (প্রহসন, দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* অকাল কুষ্মান্ড।
অর্থ: অপদার্থ/ অযোগ্য ।
------------------
#লীলাবতী (দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* আকাশকুসুম
অর্থ: কাল্পনিক
#নবীন তপস্বিনী (দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* অন্নপ্রাশনের ভাত উঠে আসা। (বমি আসা)
অর্থ: ঘৃণাজনক পদার্থ।
----------------
#জনা (গিরিশচন্দ্র ঘোষ)
====================
* কান খাড়া করা।
অর্থ: একাগ্রভাবে শুনার জন্য অপেক্ষা করা।
------------------
#অলীকবাবু (জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর)
====================
* বারোমাসে তের পার্বণ।
অর্থ: অনবরত উৎসব
-------------------
#নবযৌবন (অমৃতলাল বসু)
====================
* ধান ভানতে শীবের গীত।
অর্থ: অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারনা।
------------------
#খাস দখল: (অমৃতলাল বসু)
====================
* চোরকে বলে চুরি করতে গৃহস্থকে বলে সজাগ থাকতে।
অর্থ: দুই দিক বজায় রাখা।
----------------
#কালাপানি (অমৃতলাল বসু)
====================
* ধরি মাছ না ছুঁই পানি।
অর্থ: বুদ্ধি দিয়ে বিনাকষ্টে কার্যসিদ্ধি।
#প্রতাপসিংহ (দ্বিজেন্দ্রলাল রায়)
====================
* এই মারে তো এই মারে।
অর্থ: ক্রোধান্বিত হয়ে কাউকে মারতে উদ্যত হওয়া।
--------------------
#চন্দগুপ্ত (দ্বিজেন্দ্রলাল রায়)
============
* কার ঘাড়ে দুটো মাথা।
অর্থ: গুরু কার্যসম্পাদনে সু:সাহস করা।
--------------
#কিন্নরী (ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ)
==================
* কাঠবিড়ালের সাগর বাঁধা।
অর্থ: বৃহৎ কাজে সামান্য কারো সাধ্যমত সাহায্য।
------------------
#নীলকর (ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
=====================
* গোদের উপর বিষফোঁড়া।
অর্থ: এক কষ্টের উপর আরেক কষ্ট।
-------------------
#দেহঘর (ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
=============
* ভূতের বেগার খাঁটা।
অর্থ: অহেতুক পরিশ্রম করা।
----------------
#আত্মবিলাপ(ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
===============
* হাটেতে ভাঙ্গিয়া ভান্ড, কি খেলা খেলায় রে।
অর্থ: গোপন কথা প্রকাশ্যে বলে দেয়া।
----------------
#তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য (মধুসূদন দত্ত )
=================
* যে রক্ষক সেই ভক্ষক।
অর্থ: রক্ষাকর্তার দ্বারা অনিষ্ট সাধন।
----------------
#ব্রজাঙ্গনা কাব্য (মধুসূদন দত্ত )
=======================
* মণিহারা ফণি।
অর্থ: ধন হারিয়ে শোকে আত্মহারা।
-------------
#বঙ্গসুন্দরী (বিহারীলাল চক্রবর্তী)
* ঝাল ঝাড়া।
অর্থ: রুঢ় কথা শুনিয়ে মনের জালা উপশম করা।
---------------
#সোনার তরী ( রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
* দিনে (দুপুরে) ডাকাতি।
অর্থ: দু:সাহসিক চুরি।
-----------------
#চিত্রা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
================
* পিত্ত জলে যাওয়া।
অর্থ: অতিশয় ক্রোধান্বিত হওয়া।
-----------------
#মানসী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
=================
* কোমর বাঁধা।
অর্থ: অধিক আগ্রহ/সংকল্প নিয়ে কাজ করা।
-----------------
#চিঠি(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
====================
* সবুরে মেওয়া ফলে।
অর্থ: ধৈর্য ধরলে সুফল পাওয়া যায়।
-------------------
#চিরকুমার সভা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
===================
* মধুরেণ সমাপয়েৎ।
অর্থ: সকল ক্ষেত্রে সমাপ্তি সুন্দর হওয়া বাঞ্চনীয়।
#পেটে ও পিঠে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
================
* পেটে খেলে পিঠে সয়।
অর্থ: একদিক দিয়ে লাভ হলে অন্যদিকে ক্ষতি সহ্য হয়।
-------------------
* রামরাজত্ব।
অর্থ: ন্যায়পরায়ন ধার্মিক রাজার সুখী রাজ্য।
--------------
#চার অধ্যায় (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
======================
* কনে দেখা মেঘ ।
অর্থ: গোধুলী লগ্নের সময় (উজ্জল আলোয় পাত্রী দেখার উপযুক্ত সময়)
------------------
#চোখের বালি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
==================
#বেনাবনে (উলুবনে) মুক্তা ছড়ানো।
অর্থ: অস্থানে মূল্যবান কিছু রাখা (যার কোন সুফল নেই)।
-------------------
#গোরা(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
==================
* মরার বাড়া গাল নেই।
অর্থ: চরম দুর্দশা অবস্থা (যার পর আর অধিক অমঙ্গল হতে পারে না)
----------------
#ছিন্নপত্র: (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
===================
* তুর্কি নাচন নাচা।
অর্থ: অস্থির অঙ্গচালনা।
------------------
#গল্পগুচ্ছ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
=====================
* কানে মন্ত্র দেওয়া
অর্থ: কুপরামর্শ দেয়া।

#বাঁধন হারা (কাজী নজরুল)
=================
* চোরের উপর রাগ করে ভুঁয়ে ভাত খাওয়া।
অর্থ: পরের উপর রাগ মিটাতে নিজেকে কষ্ট দেওয়া।
--------------
#কুহেলিকা(কাজী নজরুল)
=================
* রক্ত হিম হওয়া।
অর্থ: আতঙ্কগ্রস্ত হওয়া।
----------------
#সাতটি তারার তিমির (জীবনানন্দ দাশ)
===================
* ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
অর্থ: অধর্ম/অসত্য অপ্রকাশিত থাকে না।
----------------
#জনরব (অন্নদাশঙ্কর রায়)
=============
* কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ।
অর্থ: একজনের জন্য ভাল, অন্যজনের জন্য মন্দ।
-------------------
#নক্সী কাঁথার মাঠ (জসীম উদদীন)
====================
* শাঁখের করাত।
অর্খ: উভয় সংকট
#সোজন বাদিয়ার ঘাট (জসীম উদদীন)
=================
* সাত ঘাটের জল এক করা।
অর্থ: প্রবল শক্তি (নিয়ে কিছু করা।)
------------------
#চতুরঙ্গ (কবিতা, বিজন ভট্টাচার্য)
=====================
* নেড়া একবারই বেলতলায় যায়।
অর্থ: তিক্ত অভিজ্ঞতা মানুষকে সতর্ক করে।
-------------------
#নাকের বদলে নরুন পেলাম (কবিতা, সলিল চৌধুরী) ভ
=================
* ভিটেয় ঘুঘু চরানো।
অর্থ: সর্বনাশ করা। (কবিতার লাইন: আমার ভিটেয় চরলো ঘুঘু ডিম দিল তোমাকে)
------------------
#রঙ্গব্যাঙ্গ গল্প, (গৌরকিশোর ঘোষ)
================
* ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো।
অর্থ: নিজের খেয়ে অপ্রয়োজনীয় কাজ করা।
-------------------
#মধ্যবিত্ত (কবিতা, সুকান্ত ভট্টাচার্য)
=====================
* ভুঁইফোড় ।
অর্থ: হঠাৎ জেগে/বেড়ে উঠা।
------------------
#জল তবুও (কবিতা, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী)
=================
* যত গর্জে তত বর্ষে না।
অর্থ: মিথ্যা আস্ফালন।
---------------
#এসো বর্ষা আলগোছে পা ফেলে। (কবিতা, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী)
=====================
* মতিভ্রম।
অর্থ: ভুলপথে যাওয়া।
--------------------
#শামসুর রহমানের একটি কবিতায় ব্যবহ্রত:
===================
* সাপের পাঁচ পা দেখা।
অর্থ: অহঙ্কারে অসম্ভবকে সম্ভব মনে করা।
----------------
#বিজলীবালার মুক্তি (গল্প, মতি নন্দী)
=========================
* মড়া কখনও ভোঁস ভোঁস করে ঘুমায় না।
অর্থ: অসম্ভব।
-------------------------
#বুড়ো লোকটি (গল্প, মতি নন্দী)
=============
* শকুনের চোখ থাকে ভাগাড়ের দিকে।
অর্থ: যার যে জিনিসের প্রতি লোভ সে সেটির দিকে ছোটে।
----------------
#বিষবৃক্ষ (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
===============
* আসন টলা (উদা: “কমলমণি! তুমি বই/বিনে আমার কেহ নাই! একবার এসো”, শুনিয়া কমলমণির আসন টলিল)
অর্থ: কৃপাপ্রার্থীর জন্য চিত্ত চঞ্চল হওয়া।
* মাছ মরেছে, বিড়াল কান্দে।
অর্থ: কপট শোক (মাছের মার পুত্র শোক/ কুমিরের কান্না))
#কৃষ্ণকান্তের উইল (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
====================
* রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়,
উলু খাগড়ার প্রাণ যায়।।
অর্থ: প্রধান ব্যক্তির স্বার্থের দ্বন্দে সাধারণ মানুষের ক্ষতি।
----------------
#রাজসিংহ (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
===================
* বৃদ্ধস্য তরুণী বিষম।
অর্থ: তরুণীর সংসর্গ বয়স্ক পুরুষের জন্য অনিষ্টকর।
----------------
#সীতারাম (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
=======================
* যার কর্ম তারে সাজে, অন্য লোকের লাঠি বাজে।
অর্থ: অভ্যস্ত লোকের পক্ষে যে কাজ সহজ, অন্যের জন্য তা কঠিন।
--------------------
#ইন্দিরা (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
===============
* ছেঁদো কথা।
অর্থ: কৌশলপূর্ণ সুন্দরভাবে সাজানো কথা/বাক্য। (সরাসরি না বলে কৌশলে কোন কথা ঘুরিয়ে বলা)
-----------------
* ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না।
অর্থ: টাকা থাকলে অনুচরের অভাব হয় না।

* পোয়াবারো (/সশরীরে স্বর্গলাভ )
অর্থ: আশাতীত সৌভাগ্য।
(*বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর লেখায় প্রাপ্ত আরো কয়েকটি- * অন্ধকারে ঢিল ছোড়া (আন্দাজে কিছু করা), আড়মোড়া ভাঙ্গা (আলস্য ত্যাগ),
-------------------
#পালামৌ (সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধায়)
===================
* জল স্পর্শ না করা।
অর্থ: অল্প আহারও না করা।
---------------
#স্বর্ণলতা (তারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়)
=================
* হাড় এক জায়গায় মাস (মাংস) এক জায়গায় করা। (/ উত্তম মধ্যম।)
অর্থ: বেদম প্রহার করা।
-------------------
#কজ্জলী (রাজশেখর বসু/ পরশুরাম)
=================
* লাই দিলে কুকুর মাথায় উঠে।
অর্থ: নীচ ব্যক্তিকে প্রশ্রয় দিলে শেষে অসম্মান করে।
-------------------
#রমাসুন্দরী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়)
===================
* আঁকু পাঁকু করা।
অর্থ: অতি উদ্বেগে ছটফটানি।
-------------
#শ্রীকান্ত (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
==================
* কা-কস্য পরিবেদনা।
অর্থ: কারও প্রতি কারও সমবেদনা না থাকা। (শত সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত, কিন্তু কা-কস্য পরিবেদনা!! নেতারা যে যার আখের গোছাচ্ছেন)
---------------
#চরিত্রহীন(শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
====================
* কামিনী-কাঞ্চন
অর্থ: ইন্দ্রীয় সুখের প্রধান উপকরণ নারী ও ধন।
--------------------
#দত্তা (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
==============
* তালপাতার সেপাই।
অর্থ: অতিশয় রোগা/ক্ষীণজীবি লোক।
-------------------
#পল্লীসমাজ (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
================
* আড়ালে রাজার মাকেও ডাইন বলে।
অর্থ: ভয়ে সামনাসামনি কিছু না বললেও অসাক্ষাতে নিন্দা করা।
-------------------
#শুভদা (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
===================
* কাটলেও রক্ত নেই, কুটলেও মাংস নেই।
অর্থ: এমন সঙ্গতিহীন যে তা থেকে কিছু আদায় হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
---------------
#দুই তার (চারুচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়)
================
* অগস্ত্যা যাত্রা।
অর্থ: চিরকালের জন্য বিদায়/ প্রস্থান
-----------------
#রসকলি (তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়)
=================
* অনভ্যাসের ফোঁটা, কপাল চড়চড় করে।
অর্থ: অনভ্যস্ত অবস্থায় কিছু করা কষ্টকর।
-------------------
#কালিন্দী (তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়)
===================
* অধিকন্তু ন দোষায়।
অর্থ: অধিক হলে ক্ষতি নেই। (সে বলেছে আর পড়ার দরকার নেই, কিন্তু আমি অধিকন্তু ন দোষায় ভেবে আরেকবার পড়তে বললাম)
------------------
#বেদেনি (তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়)
=================
* কারে পড়িলে বাঘা ফড়িংও খায়।
অর্থ: বিপদের সময় হিতাহিত জ্ঞান/বিচার লোপ পায়।
-------------------
#রায়বাড়ী (গিরিবালা দেবী)
==============
* ঢেঁকিকে বুঝাব কত, নিত্য ধান ভানে।
অর্থ: যার যা কাজ সে তাই করতে থাকে (বুঝিয়ে লাভ নেই)
------------------
#পথের পাঁচালী (বিভূতীভূষণ বন্দোপাধ্যায়)
==================
* কুটো নাড়া (বা, কুটোগাছ ভেঙ্গে দুখান করা)
অর্থ: অতিশয় কর্মবিমুখ
*লেখকের আরো কয়েকটি- আকাশ থেকে পড়া/বিনা মেঘে বজ্রপাত (অপ্রত্যাশিত ঘটনা), আকাশ-পাতাল (অসংলগ্ন)
---------------------
#স্বর্গাদপি গরিয়সী (বিভূতীভূষণ মুখোপাধায়)
================
* আসলের চেয়ে সুদ মিষ্টি।
অর্থ: মূল বস্তু অপেক্ষা উৎপন্ন বস্তু অধিক প্রিয়।

------------------
#জঙ্গম (বলাইচাঁদ মুখোপ্যাধ্যায় / বনফুল)
===================
* উপর চালাক।
অর্থ: প্রয়োজনের অতিরিক্ত চালাকি করে যে।
------------------
#কাঁচামিঠা (শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়)
================
* অরসিকেষু রসস্য নিবেদনম।
অর্থ: যার রসজ্ঞান নেই তাকে বুঝানো বৃথা।
#নবীনযাত্রা (মনোজ বসু)
=================
* ঢাকাই সাক্ষী
অর্থ: কারো দোষ ঢাকবার জন্য প্রদত্ত বিবৃতি।
----------------
#আকস্মিক (অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত)
====================
* অষ্টরম্ভা
অর্থ: ব্যর্থতা।
-------------
#দেশেবিদেশে (সৈয়দ মুজতবা আলী)
===================
* রথ দেখা কলা বেচা (এক ঢিলে দুই পাখি)
অর্থ: এক কাজের সঙ্গে আরেক কাজ সেরে নেওয়া।
----------------
#শৃঙ্খল (প্রেমেন্দ্র মিত্র)
===============
* দা-দেইজি।
অর্থ: নিকট আত্মীয়।
--------------
#জাগরী (সতীনাথ ভাদুড়ী)
=================
* অঙ্গার মতধৌতের মলিনত্বং ন মুঞ্চতি। (কয়লা ধুলে ময়লা যায় না।
অর্থ: স্বভাবের পরিবর্তন সহজে হয় না।
#অতসীমামী (মানিক বন্দোপাধ্যায়)
===============
* কলা-বউ
অর্থ: অতিশয় লজ্জাশীলা নারী। (এতদিনের পরিচয়!!! এখনো কেন কলাবউ সাজ? )
----------------
#পদ্মানদীর মাঝি (মানিক বন্দোপাধ্যায়)
===================
* মাছের তেলে মাছ ভাজা (কইয়ের তেলে কই ভাজা)
অর্থ: বিনা/সামান্য ব্যয়ে কার্যসিদ্ধি করা।
#পাতাচাপা গল্প (আশাপূর্ণা দেবী)
==================
* আলুথালু
অর্থ: অগোছালো / অবিন্যস্ত
#তিতাস একটি নদীর নাম (অদ্বৈত মল্লবর্মণ)
====================
* কুরুক্ষেত্র ঘটানো
অর্থ: নিদারুণ কলহের সূত্রপাত।

১। আটে-পিটে ধরো, তবে ঘোড়ার উপরে চড়ো : যোগ্যতা অর্জন করে কাজ আরম্ভ করা
২। আঠার পর্ব মহাভারত : দীর্ঘ কাহিনী
৩। আটখানার পাটখানা : নানা কর্তব্যের মাঝে একটি
৪। আয়নাতে মুখ দেখা : আত্মসমালোচনা করা
৫। ঈগল স্বভাব : হিংস্র প্রকৃতির
৬। আড়াই অক্ষরে : অল্প কথায়
৭। আথিবিথি : তাড়াতাড়ি
৮। আদাড়ের হাড়ি : অনাদৃত ব্যক্তি
৯। আমড়া করা : কোন কিছু করতে না পারা
১০। আমড়া গাছি করা : অযথা প্রশংসা করা
১১। আমড়াভাতে করা : সৌন্দর্যহীন করা
১২। আপ্ত শ্রুতি : কিংবদন্তী
১৩। আপ্ত-গরজি : স্বার্থপর
১৪। আষাঢ়ান্ত বেলা : দীর্ঘস্থায়ী সময়
১৫। আয়নায় মুখ দেখা : যে যেমন, তার সাথে তেমন করা।
১৬। আল-টপকা : আচমকা
১৭। আলী মেজাজ : উন্নত মন
১৮। আগাপাছতলা : আদ্যন্ত
১৯। আরশিতে পড়শি দেখা : নিজের মত করে অন্যকে দেখা
২০। আটুনি কষুনি সার : কেবল আড়ম্বর মাত্র।
.
#প্রবাদ-প্রবচন :
১। বামন গেল ঘর, তো লাঙ্গল তুলে ধর : কর্তাব্যক্তির অনুপস্থিতিতে কাজে ফাকি দেয়া
২। বারো হাত কাকুড়ের তেরো হাত বিচি : সাধ্যের অতিরিক্ত দর্প
৩। বিষ নাই তার কুলোপানা চক্কর : অক্ষম ব্যক্তির বৃথা আস্ফালন
৪। ভাগের মা গঙ্গা পায় না : ভাগাভাগির কাজ বেশিরভাগই পন্ড হয়ে যায়
৫। ভোজনং যত্র তত্র, শয়নং হট্টমন্দিরং : ছন্নছাড়া জীবন
৬। গতস্য শোচনা নাস্তি : অতীত নিয়ে না ভাবা
৭। ঘরে ছুচোর কেত্তন, বাইরে কোচার পত্তন : গরিব লোকের বড়লোকি চাল
৮। চোর মরে সাত ঘর মজায়ে : খারাপ ব্যক্তি অন্যকে বিপদে পড়লে অন্যকেও সাথে জড়ায়
৯। চূড়ার ওপর ময়ূর পাখা : সোনায় সোহাগা
১০। চাল না চুলো, ঢেকি না কুলো : নিতান্ত দরিদ্রতা
১১। ঢাকের বাদ্য থামলেই মিষ্টি : দুঃসময় পেরিয়ে ভাল সময়ের আগমন
১২। নাইরে তাইরে না : উদ্দেশ্যহীন ভাবে সময় নষ্ট করা
১৩। ধোপা-নাপিত বন্ধ : একঘরে করা
১৪। নরম মাটি বিড়াল আচড়ায় লোকে ভাল মানুষকে কষ্ট দেয়
১৫। পড়িয়া বিপাকে গণেশ মাঝি গরু রাখে : বিপদে পড়লে মানুষ স্বভাব বিরুদ্ধ কাজ করতে বাধ্য হয়।
১৬। চড়কে কাঠি পড়া : কলহের সূত্রপাত হওয়া
১৭। ঝোলের লাউ, অম্বলের কদু : যে ব্যক্তি স্বার্থসিদ্ধির জন্য সকলের মন জুগিয়ে চলে
১৮। ঝাল মরিচের লাল চামড়া : দুর্জনও দেখতে সুন্দর হতে পারে
১৯। টোপ গিলে না, ঠোকরায় : ছলনা করে
২০। ডোবা দেখলেই ব্যাঙ লাফায় : প্রিয় বস্তু দেখে আনন্দ।

#‘অতির গতি’ প্রবন্ধ: (বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর)
====================
* অতি দর্পে হত লঙ্কা।
অর্থ: অহংকার পতনের মূল।
* অতি লোভে তাঁতী নষ্ট।
অর্থ: বেশি লোভ করা ভাল না।
* কথার ঢেঁকি কাজে ছাই।
অর্থ: কাজের পারদর্শী না অথব কথা বেশি বলে।
* অধিক সন্ন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট।
অর্থ: প্রয়োজনের অতিরিক্ত লোক যেকোন কিছুতে বিশৃঙ্খলার কারণ হয়।
* অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ
অর্থ: যারা অধিক ভক্তি দেখায় প্রকৃতপক্ষে তারা ভক্তিহীন।
* অতি বড় রুপসী না পায় বর/অতি বড় ঘরণী না পান ঘর।
‪#‎হবুচন্দ্ররাজার‬ গবুচন্দ্রমন্ত্রী: (দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার)
====================
* হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী।
অর্থ: স্থুল বুদ্ধিসম্পন্ন রাজার নির্বোধ মন্ত্রী।
--------------
‪#‎কুলীনকুলসর্বস্ব‬ (রামনারায়ন তর্করত্ন)
====================
* উত্তম-মধ্যম দেওয়া।
অর্থ: প্রহার করা।
--------------
‪#‎একেই‬ কি বলে সভ্যতা: (মধুসূদন দত্তের প্রহসন)
====================
* কুলোর বাতাস দিয়ে দূর করা।
অর্থ: চরম অপমান করে বের করে দেওয়া।
----------------
‪#‎বুড়ো‬ শালিকের ঘাড়ে রোঁ(মধুসূদন দত্তের প্রহসন)
====================
* গতস্য শোচনা নাস্তি।
অর্থ: যা অতীত হয়েছে তা নিয়ে চিন্তা করা নিষ্প্রয়োজন।
---------------
‪#‎শর্মিষ্ঠা‬: (নাটক, মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
====================
* পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা।
অর্থ: পরের ক্ষতি করে নিজে লাভবান হওয়া।
----------------
‪#‎পদ্মাবতী‬(নাটক, মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
====================
* বিষকুম্ভ, পয়োমুখম।
অর্থ: অন্তরে বিষ, মুখে মধু।
---------
‪#‎চলচ্চিত্ত‬-চঞ্চরি (ব্যাঙ্গনাটক, সুকুমার রায়)
====================
* ঢাক ঢাক গুড় গুড়।
অর্থ: কোন কিছু গোপন করার চেষ্টা।
---------------------
‪#‎নীলদর্পন‬: (দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* কীটস্য কীট।
অর্থ: অতি নগণ্য ব্যক্তি
---------------
* ঠক বাঁচতে গা উজাড়
অর্থ: সাধু ব্যক্তি খোজে পাওয়া দায়।
---------------
* নিজের চরকায় তেল দেহ (দাও)।
অর্থ: অনধিকার চর্চায় সময় নষ্ট না করে নিজের স্বার্থ সিদ্ধি করা।
---------------
‪#‎জামাই‬ বারিক (প্রহসন, দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* জোর যার মুল্লুক তার।
অর্থ: শক্তিবান বলপ্রয়োগে যা ইচ্ছা অধিকার করতে পারে।
------------------
‪#‎সধবার‬ একাদশী (প্রহসন, দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* অকাল কুষ্মান্ড।
অর্থ: অপদার্থ/ অযোগ্য ।
------------------
‪#‎লীলাবতী‬ (দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* আকাশকুসুম
অর্থ: কাল্পনিক
‪#‎নবীন‬ তপস্বিনী (দীনবন্ধু মিত্র)
====================
* অন্নপ্রাশনের ভাত উঠে আসা। (বমি আসা)
অর্থ: ঘৃণাজনক পদার্থ।
----------------
‪#‎জনা‬ (গিরিশচন্দ্র ঘোষ)
====================
* কান খাড়া করা।
অর্থ: একাগ্রভাবে শুনার জন্য অপেক্ষা করা।
------------------
‪#‎অলীকবাবু‬ (জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর)
====================
* বারোমাসে তের পার্বণ।
অর্থ: অনবরত উৎসব
-------------------
‪#‎নবযৌবন‬ (অমৃতলাল বসু)
====================
* ধান ভানতে শীবের গীত।
অর্থ: অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারনা।
------------------
‪#‎খাস‬ দখল: (অমৃতলাল বসু)
====================
* চোরকে বলে চুরি করতে গৃহস্থকে বলে সজাগ থাকতে।
অর্থ: দুই দিক বজায় রাখা।
----------------
‪#‎কালাপানি‬ (অমৃতলাল বসু)
====================
* ধরি মাছ না ছুঁই পানি।
অর্থ: বুদ্ধি দিয়ে বিনাকষ্টে কার্যসিদ্ধি।
‪#‎প্রতাপসিংহ‬ (দ্বিজেন্দ্রলাল রায়)
====================
* এই মারে তো এই মারে।
অর্থ: ক্রোধান্বিত হয়ে কাউকে মারতে উদ্যত হওয়া।
--------------------
‪#‎চন্দগুপ্ত‬ (দ্বিজেন্দ্রলাল রায়)
============
* কার ঘাড়ে দুটো মাথা।
অর্থ: গুরু কার্যসম্পাদনে সু:সাহস করা।
--------------
‪#‎কিন্নরী‬ (ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ)
==================
* কাঠবিড়ালের সাগর বাঁধা।
অর্থ: বৃহৎ কাজে সামান্য কারো সাধ্যমত সাহায্য।
------------------
‪#‎নীলকর‬ (ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
=====================
* গোদের উপর বিষফোঁড়া।
অর্থ: এক কষ্টের উপর আরেক কষ্ট।
-------------------
‪#‎দেহঘর‬ (ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
=============
* ভূতের বেগার খাঁটা।
অর্থ: অহেতুক পরিশ্রম করা।
----------------
‪#‎আত্মবিলাপ‬(ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
===============
* হাটেতে ভাঙ্গিয়া ভান্ড, কি খেলা খেলায় রে।
অর্থ: গোপন কথা প্রকাশ্যে বলে দেয়া।
----------------
‪#‎তিলোত্তমা‬ সম্ভব কাব্য (মধুসূদন দত্ত )
=================
* যে রক্ষক সেই ভক্ষক।
অর্থ: রক্ষাকর্তার দ্বারা অনিষ্ট সাধন।
----------------
‪#‎ব্রজাঙ্গনা‬ কাব্য (মধুসূদন দত্ত )
=======================
* মণিহারা ফণি।
অর্থ: ধন হারিয়ে শোকে আত্মহারা।
-------------
‪#‎বঙ্গসুন্দরী‬ (বিহারীলাল চক্রবর্তী)
* ঝাল ঝাড়া।
অর্থ: রুঢ় কথা শুনিয়ে মনের জালা উপশম করা।
---------------
‪#‎সোনার‬ তরী ( রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
* দিনে (দুপুরে) ডাকাতি।
অর্থ: দু:সাহসিক চুরি।
-----------------
‪#‎চিত্রা‬ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
================
* পিত্ত জলে যাওয়া।
অর্থ: অতিশয় ক্রোধান্বিত হওয়া।
-----------------
‪#‎মানসী‬ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
=================
* কোমর বাঁধা।
অর্থ: অধিক আগ্রহ/সংকল্প নিয়ে কাজ করা।
-----------------
‪#‎চিঠি‬(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
====================
* সবুরে মেওয়া ফলে।
অর্থ: ধৈর্য ধরলে সুফল পাওয়া যায়।
-------------------
#চিরকুমার সভা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
===================
* মধুরেণ সমাপয়েৎ।
অর্থ: সকল ক্ষেত্রে সমাপ্তি সুন্দর হওয়া বাঞ্চনীয়।
#পেটে ও পিঠে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
================
* পেটে খেলে পিঠে সয়।
অর্থ: একদিক দিয়ে লাভ হলে অন্যদিকে ক্ষতি সহ্য হয়।
-------------------
* রামরাজত্ব।
অর্থ: ন্যায়পরায়ন ধার্মিক রাজার সুখী রাজ্য।
--------------
#চার অধ্যায় (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
======================
* কনে দেখা মেঘ ।
অর্থ: গোধুলী লগ্নের সময় (উজ্জল আলোয় পাত্রী দেখার উপযুক্ত সময়)
------------------
#চোখের বালি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
==================
#বেনাবনে (উলুবনে) মুক্তা ছড়ানো।
অর্থ: অস্থানে মূল্যবান কিছু রাখা (যার কোন সুফল নেই)।
-------------------
#গোরা(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
==================
* মরার বাড়া গাল নেই।
অর্থ: চরম দুর্দশা অবস্থা (যার পর আর অধিক অমঙ্গল হতে পারে না)
----------------
#ছিন্নপত্র: (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
===================
* তুর্কি নাচন নাচা।
অর্থ: অস্থির অঙ্গচালনা।
------------------
#গল্পগুচ্ছ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
=====================
* কানে মন্ত্র দেওয়া
অর্থ: কুপরামর্শ দেয়া।

============================

Friday, September 1, 2023

11> কিছু English শব্দার্থ::---

  11> কিছু শব্দার্থ::---


আমরা অনেক জানি

তথাপি কিছু জেনেও জানিনা,

What is the full form of 'OK'

 1>★ ᴏᴋ ★= ᴏᴛᴛᴏ  ᴋʀᴏᴠᴇɴs


ᴄᴏʀʀᴇᴄᴛ ᴍᴇᴀɴɪɴɢ ᴏғ “ᴏᴋ” ɪs ᴛʜᴇ ɴᴀᴍᴇ ᴏғ ᴀ ɢᴇʀᴍᴀɴ ᴇɴɢɪɴᴇᴇʀ ᴏᴛᴛᴏ ᴋʀᴏᴠᴇɴs ᴡʜᴏ ᴡᴏʀᴋᴇᴅ ғᴏʀ ғᴏʀᴅ ᴄᴀʀ ᴄᴏᴍᴘᴀɴʏ ɪɴ ᴀᴍᴇʀɪᴄᴀ.

ᴀs ᴄʜɪᴇғ ɪɴsᴘᴇᴄᴛᴏʀ ʜᴇ ᴡʀᴏᴛᴇ ʜɪs ɪɴɪᴛɪᴀʟ ᴀs ᴏᴋ ᴜᴘᴏɴ ᴇᴀᴄʜ ᴄᴀʀ ʜᴇ ᴘᴀssᴇᴅ.

ʜᴇɴᴄᴇ ɪᴛ ᴄᴏɴᴛɪɴᴜᴇᴅ ᴛɪʟʟ ᴅᴀᴛᴇ ᴀs ᴀʟʟ ᴄᴏʀʀᴇᴄᴛ


2>★ ɴᴇᴡs ᴘᴀᴘᴇʀ ★

ɴᴏʀᴛʜ ᴇᴀsᴛ ᴡᴇsᴛ sᴏᴜᴛʜ ᴘᴀsᴛ ᴀɴᴅ ᴘʀᴇsᴇɴᴛ ᴇᴠᴇɴᴛs ʀᴇᴘᴏʀᴛ


3>★ ᴄʜᴇss ★

ᴄᴀᴍᴇʟ, ʜᴏʀsᴇ, ᴇʟᴇᴘʜᴀɴᴛ, sᴏʟᴅɪᴇʀs


4>★ ᴄᴏʟᴅ ★

ᴄʜʀᴏɴɪᴄ ᴏʙsᴛʀᴜᴄᴛɪᴠᴇ ʟᴜɴɢ ᴅɪsᴇᴀsᴇ


5>★ ᴊᴏᴋᴇ ★

ᴊᴏʏ ᴏғ ᴋɪᴅs ᴇɴᴛᴇʀᴛᴀɪɴᴍᴇɴᴛ


6>★ ᴀɪᴍ ★

ᴀᴍʙɪᴛɪᴏɴ ɪɴ ᴍɪɴᴅ


7> ★ ᴅᴀᴛᴇ ★

ᴅᴀʏ ᴀɴᴅ ᴛɪᴍᴇ ᴇᴠᴏʟᴜᴛɪᴏɴ


8>★ ᴇᴀᴛ ★

ᴇɴᴇʀɢʏ ᴀɴᴅ ᴛᴀsᴛᴇ


9>★ ᴛᴇᴀ ★

ᴛᴀsᴛᴇ ᴀɴᴅ ᴇɴᴇʀɢʏ ᴀᴅᴍɪᴛᴛᴇᴅ


10>★ ᴘᴇɴ ★

ᴘᴏᴡᴇʀ ᴇɴʀɪᴄʜᴇᴅ ɪɴ ɴɪʙ


11>★ sᴍɪʟᴇ ★

sᴡᴇᴇᴛ ᴍᴇᴍᴏʀɪᴇs ɪɴ ʟɪᴘs ᴇxᴘʀᴇssɪᴏɴ


12>★ sɪᴍ ★

sᴜʙsᴄʀɪʙᴇʀ ɪᴅᴇɴᴛɪᴛʏ ᴍᴏᴅᴜʟᴇ


13>★ ᴇᴛᴄ ★

ᴇɴᴅ ᴏғ ᴛʜɪɴᴋɪɴɢ ᴄᴀᴘᴀᴄɪᴛʏ


14>★ ᴏʀ ★

ᴏʀʟ ᴋᴏʀᴇᴄ (ɢʀᴇᴇᴋ ᴡᴏʀᴅ)


15★ ʙʏᴇ ★

ʙᴇ ᴡɪᴛʜ ʏᴏᴜ ᴇᴠᴇʀʏᴛɪᴍᴇ.


     ( Collection from internet)


========================

10>ROMAM হরফ। 1to100

  10>ROMAM হরফ। 1to100


ROMAN NUMERALS CHART

রোমান হরফে 1 (one) থেকে 100(one hundred) সহজে লেখার উপায়::----


       1 to 100

সহজ উপায়:-

মনে রাখতে হবে  MeDiCaL 

এই মেডিকেলের  M,,,,,D,,,,,,,C,,,,,,,L

এদের মান মনেরাখতে হবে।


 M=1000,      

  D=500, 

  C=100,

  L=50

 এ ছাড়া আমরা সকলেই জানি

       I=1,  V=5,  X=10,

 তাহলে সহজেই লিখতে পারি 10,20,30,40,50,60,70,80,90,100 এদের ROMAN  হরফ।

X=10     ------    C=100

XX=20  ------    CC=200

XXX=30  ----    CCC=300

XL =40   -----    CD=400

 L=50     -----     D=500

 LX=60   ----      DC=600

 LXX=70 ----     DCC=700

 LXXX=80  ---   DCCC=800

 XC=90     ----    CM=900

 C=100     ----    M= 1000


এবারে লিখতে পারি 1 থেকে 100 পর্যন্ত সম্পূর্ন ROMAM হরফ।

========================

1=I    ---  11=XI   ---  21=XXI

2=II  ---  12=XII  ---  22=XXII

3=III  ---  13=XIII  --- 23=XXIII

4=IV  ---  14=XIV --- 24=XXIV

5=V   ---  15=XV  --- 25=XXV

6=VI  ---  16=XVI --- 26=XXVI

7=VII ---  17=XVII --- 27=XXVII

8=VIII --- 18=XVIII --- 28=XXVIII

9=IX   --- 19=XIX   --- 29=XXIX

10=X  --- 20=XX   ---  30=XXX

==========================

31=XXXI     --- 41=XLI   --- 51=LI

32=XXXII    --- 42=XLII   ---52=LII

33=XXXIII    ---43=XLIII  ---53=LIII

34=XXXIV   ---44=XLIV  ---54=LIV

35=XXXV   --- 45=XLV    ---55=LV

36=XXXVI   ---46=XLVI   ---56=LVI

37=XXXVII  ---47=XLVII  ---57=LVII

38=XXXVIII ---48=XLVIII ---58=LVIII

39=XXXIX ---  49=XLIX   ---59=LIX

40=XL        --- 50=L         --- 60=LX   

==========================  

61=LXI   ---     71=LXXI

62=LXII  ---      72=LXXII  

63=LXIII  ---      73=LXXIII

64=LXIV  ---      74=LXXIV

65=LXV    ---     75=LXXV

66=LXVI   ---     76=LXXVI      

67=LXVII  ---     77=LXXVII

68=LXVIII ---     78=LXXVIII 

69=LXIX   ---     79=LXXIX

70=LXX    ---     80=LXXX

========================

81=LXXXI    ------  91=XCI

82=LXXXII   ------  92=XCII

83=LXXXIII  ------  93=XCIII

84=LXXXIV  -----   94=XCIV

85=LXXXV   -----   95=XCV

86=LXXXVI  -----   96=XCVI

87=LXXXVII -----   97=XCVII

88=LXXXVIII ----   98=XCVIII

89=LXXXIX   -----  99=XCIX

90=XC           -----  100=C

========================

এখন সহজেই লিখা যাবে

ROMAN হরফে যেকোন সংখ্যা।


1980=MCMLXXX

 MCM=1900 

 LXXX=80


 1995=MCMXCV

  MCM=1900

  XCV=95

      ( Adyanath Roy Choudhuri)

========================

  

9>প্রবাদ-বাক্য বাংলা-ইংরেজি।

 9>প্রবাদ-বাক্য বাংলা-ইংরেজি।

      --------(ব )-------
1)-->বজ্র আটুনি ফস্কা গেরো।
(Penny wise, pound foolish.)
2)->বড় যদি হতে চাও ছোট হও আগে।
(Lowliness is young ambitions ladder.)
3)-->বল বল নিজের বল, পরের বল পাছে।
(Self help is the best help.)
4)-->বল বল নিজের বাহু বল।
(Self help is the best help.)
5)-->বল, বুদ্ধি, ভরসা চল্লিশ হলেই ফরসা।
(If a man does not attain wisdom at the age of forty, he never be wise.)
6)-->বলা সহজ, কিন্তু করা কঠিন।
(Easier said than done.
It is easy to say something but it is difficult to perform it.)
7)-->বসতে দিলে শুতে চায়।
(Give him an inch and he will take an ell.
Give no chance to an intruder.)
8)-->বহারম্ভে লঘু ক্রিয়া।
(Much cry and little wool.)
9)-->বহু সন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট।
(Too many cooks spoil the broth.
Too many helpers make a mess of the things.)
10)-->বাতির নীচে অন্ধকার।
(The nearer the church, the further from God.)
11)-->  বাপকা বেটা, সিপাহীকা ঘোড়া।
Like father, like son.

12)-->      বাপ-মার দেখেই ছেলে পুলে শিখে।
The parent’s life is the child copybook.
13)-->      বারো মাসে তেরো পার্বণ।
A superabundance of occasions for celebrations.
14)-->     বামুন গেল ঘর, তো লাঙ্গল তোলা কর।
When the cat is away, the mice will play.
15)-->      বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়।
The chip is tougher than the old block.
16)-->      বিচার করে কাজ কর।
Think before you act.
Look before you leap.
17)-->      বিজ্ঞ যেথা ভয় পায়, অজ্ঞ সেথা আগে ধায়।
Fools rush in where angels fear in tread.
18)-->      বিদ্যা অনন্ত, জীবন সংক্ষিপ্ত।
Art is long, life is short.
19)-->      বিধি যদি করে মন তুষ্ট হতে কতক্ষণ।
When God wills, all will brings rain.
20)-->     বিন্দু বিন্দু জলেই সিন্দুর জন্ম।
Many a drops make a shower.
Drops of water make the ocean.
21)-->      বিনা বাতাসে গাংয়ের পানিও নড়ে না।
No smoke without fire.
Nothing can come out of nothing.
Where there is smoke, there is fire.
22)-->     বিপদ আসবার আগেই সাবধান হওয়া ভাল।
Prevention is better than cure.
23)-->     বিপদ কখনও একা আসে না।
Misfortunes come in battalions.
Misfortune never comes alone.
Misfortune seldom comes singly.
24)-->     বিপদে পড়লে সবাই আল্লাহর নাম স্মরন করে।
All criminals turn preacher when under the gallows.
25)-->     বিপদে বন্ধুর পরিচয়।
A friend in need is a friend indeed.
26)-->    বিপদের দিনেই গুন প্রকাশ পায়।
Sweet are the uses of adversity.
Suffering is the test of virtue.
27)-->    বিপদের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।
A friend in need is a friend indeed.
28)-->    বিপদের মধ্যেই গুনের পরীক্ষা হয়।
Virtue thrives best in adversity.
Suffering is the test of virtue.
29)-->    বিপর্যয় অভিশাপ নয়, আশির্বাদ।
Sweet are the uses of adversity.
30)-->     বিয়ে করতে কড়ি, আর ঘর বাঁধতে দড়ি।
Before you marry, be sure of a house where into tarry.
Think twice before you take a risk.
31)-->      বিয়ের আগে ঘর বাঁধতে হয়।
Before you marry, be sure of a house where into tarry.
Think twice before you take a risk.
32)-->    বিলম্বে বিচার অবিচারের নামান্তর।
Justice delayed is justice denied.
Delays are dangerous.
33)-->    বিশ্বাস পাহাড়কেও টলায়।
Faith will move mountains.
34)-->    বিশ্বাসে পাহাড় টলে।
Faith will move mountains.
35)-->     বিষকুম্ভং পয়োমুখম্‌।
A serpent under the flower.
36)-->     বিষস্য বিষসৌধম।
Like cures like.
One poison is antidote against another poison.
One thorn drives away another.
37)-->     বীর ভোগ্যা বসুন্ধরা।
Fortune favours the brave.
38)-->     বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলে পরিচয়।
A tree in known by its fruit.
39)-->    বেকায়দায় পড়লে হাতি, চামচিকায় মারে লাথি।
Little birds may peck a dead lion.
40)-->    বেশী আড়ম্বরে কাজ হয় না।
Much a do about nothing.
Too much fun and little are done.
41)-->      বেশী খাতিরে পেট হয়।
Familiarity breeds contempt.
42)-->    বেশী মাখামাখি করলে মান থাকে না।
Familiarity breeds contempt.
43)-->    বোকা চুপ করে থাকতে পারে না।
           A fool cannot be silent.
44)-->    বোকা বন্ধু অপেক্ষা চালাক শত্রুও 
          ভাল।
45)-->     বোকা হাসে অন্যের হাসি দেখে।
All fool laughs when others laugh.
46)-->    বোকার সাথে বসবাস অপেক্ষা বনও ভাল।
47)-->   বোকার হাসি দশ বার।
He laughs best who laughs last.
Fools laugh ten times.
48)-->    ব্যর্থতা সাফল্যেরই ভিত্তি ভূমি।
Failure are but pillars of success.
Failure is the pillar of success.
49)-->     ব্যবহারে বংশের পরিচয়।
Manners make the man.
50)-->     ব্যবহারই মানুষকে তৈরী করে।
Manners make the man.

=============================Gব

8>নম্বরের খেলা=রামানুজ

 ✖➕➖➗


Today is National Mathematics Day 22 December 
(I.e.,Birth Day of Srinivasa Ramanujan)
RAMANUJAN BORN IN THE YEAR 1887
Srinivas Ramanujan
See this Absolutely amazing Mathematics given by great Mathematician *रामानुजम*

1 x 8 + 1 = 9

12 x 8 + 2 = 98

123 x 8 + 3 = 987

1234 x 8 + 4 = 9876

12345 x 8 + 5 = 98765

123456 x 8 + 6 = 987654

1234567 x 8 + 7 = 9876543

12345678 x 8 + 8 = 98765432

123456789 x 8 + 9 = 987654321

1 x 9 + 2 = 11

12 x 9 + 3 = 111

123 x 9 + 4 = 1111

1234 x 9 + 5 = 11111

12345 x 9 + 6 = 111111

123456 x 9 + 7 = 1111111

1234567 x 9 + 8 = 11111111

12345678 x 9 + 9 = 111111111

123456789 x 9 +10= 1111111111

9 x 9 + 7 = 88

98 x 9 + 6 = 888

987 x 9 + 5 = 8888

9876 x 9 + 4 = 88888

98765 x 9 + 3 = 888888

987654 x 9 + 2 = 8888888

9876543 x 9 + 1 = 88888888

98765432 x 9 + 0 = 888888888


And look at this symmetry :

1 x 1 = 1

11 x 11 = 121

111 x 111 = 12321

1111 x 1111 = 1234321

11111 x 11111 = 123454321

111111 x 111111 = 12345654321

1111111 x 1111111 = 1234567654321

11111111 x 11111111 = 123456787654321

111111111 x 111111111 = 12345678987654321


Please Share This Wonderful Number Game with your friends, colleagues and children.

7>●সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।

 (1)●সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।

(2)●>বাংলাভাষা/বাংলা  বানান,

(3)●>  প্যালিনড্রোম

===============================

(1)●সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।

★1>অন্ন----ভাত।

         অন্য---অপর।


★2>অর্ঘ----মূল্য।

         অর্ঘ্য---পুজর উপকরণ।

★3>অশ্ব-----ঘোড়া।

         অশ্ম-----পাথর।

★4>আপন----নিজ।

         আপণ----দোকান।

★5>আবরণ----আচ্ছাদন

         আভরণ----অলংকার।

★6>আসার-------প্রবল বর্ষণ।

         আষার-------মাস বিশেষ।

★7>কমল---------পদ্ম।

         কোমল-------নরম।

★8>কুজন---------খারাপ লোক।

         কূজন----------পাখির ডাক।

★9>কুল-------------বংশ।

         কূল------------নদীর তীর।

★10>কালি--------রং বিশেষ।

          কালী---------দেবী বিশেষ।

★11>কটি-----------কোমর।

         কোটি---------সংখ্যা বিশেষ।

★12>গিরিশ-------মহাদেব।

          গিরীশ-------হিমালয়।

★13>চাষ--------কৃষি কাজ।

           চাস--------নীলকন্ঠ পাখি।

★14>জ্বর---------রোগ বিশেষ।

           জড়--------অচেতন।

★15>বিনা--------ছাড়া।

            বীণা-------বাদ্যযন্ত্র বিশেষ।

★16>দিন---------দিবস।

           দীন---------দরিদ্র।

★17>দীপ---------প্রদীপ।

          দ্বীপ---------জলবেষ্টিত ভূ-ভাগ।

★18>দেশ----------রাষ্ট্র।

            দ্বেষ---------হিংসা।

★19>ধুম-----------জাঁকজমক।

            ধূম----------ধোঁয়া।

★20>লক্ষ----------দেখা, সংখ্যা বিশেষ।

          লক্ষ্য----------উদ্দেশ্য।

★21>পানি----------জল।

            পাণি---------হাত।

★22>শাপ----------অভিশাপ।

           সাপ----------সর্প।

★23>শারদা-------দুর্গা।

            সারদা------সরস্বতী।

★24>শূর---------বীর।

           সুর----------দেবতা,  কন্ঠস্বর।

★25>সাক্ষর-------অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন।

           স্বাক্ষর-------সই,  দস্তখত।

★26>বাণ-----------তীর।

          বান-----------বন্যা।         

★27>বিশ----------সংখ্যা বিশেষ।

          বিষ----------গরল।

★28>আশা--------বাসনা।

          আসা--------আগমন।

★29>পড়া---------পাঠ করা।   

           পরা----------পরিধান করা।

★30>সকল--------সমস্ত।

           শকল--------মাছের আঁশ।

================================       

 2●>বাংলা  বানান,++2>প্যালিনড্রোম++3>জীবনের গণিত ||


    ( 2)●>বাংলাভাষা/বাংলা  বানান,


 রক্তে রাঙ্গা আমাদের বাংলাভাষা।

কেউ আবার বলেন বাঙ্গলা ভাষা।


আসুন 'ই' ও 'ঈ'য়ের ব্যবহার খুঁটিয়ে দেখি। 


সূত্র ১

বাঙ্গলা ভাষায় ব্যবহৃত সমস্ত বিদেশি শব্দে 'ই'  হবে। 


প্রাইমারি

লাইব্রেরি

বাউণ্ডারি

জানুয়ারি

কান্ট্রি


সূত্র ২

জাতি বাচক শব্দে 'ই' হবে। 


বাঙ্গালি

ফরাসি

আরবি

মারাঠি


সূত্র ৩

সন্ধির কারণে 'ই' পরিবর্তিত হবে' ঈ' কারে। যথা, 

রবি + ইন্দ্র —> রবীন্দ্র 

যতি + ইন্দ্র —>  যতীন্দ্র

ব্যতিক্রম ( যদিও প্রত্যয় সংক্রান্ত) 

কাঠ + ই —> কাঠি


সূত্র ৪

তৎসম শব্দে 'ঈ' কার তদ্ভব রূপে 'ই' কার হয়। যথা, 

পক্ষী  —>  পাখি

হস্তী   —>  হাতি

কুম্ভীর —>  কুমির

গৃহিণী —>  গিন্নি


সূত্র ৫

সমাসবদ্ধ শব্দে 'ঈ' কার রূপান্তরিত হয়ে 'ই' কার হয়। যথা, 

মন্ত্রী + সভা —> মন্ত্রিসভা 


সূত্র ৬

'তা' প্রত্যয় যোগে শব্দের শেষে 'ঈ' কার রূপান্তরিত হয় 'ই' কারে। যথা, 

প্রতিযোগী + তা প্রত্যয় —> প্রতিযোগিতা

সহমর্মী + তা প্রত্যয়    —> সহমর্মিতা

প্রতিদ্বন্দ্বী + তা প্রত্যয়   —> প্রতিদ্বন্দ্বিতা


সূত্র ৭

শব্দের সাথে 'ঈয়' প্রত্যয় যোগ হলে  'ঈ' কার  বসে। যথা, 

জল + ঈয় প্রত্যয় —> জলীয়

লোভ + ঈয় প্রত্যয় —> লোভনীয় 


'ইক' প্রত্যয় হলে 'ই' কার হবে। যথা, 

কল্পনা + ইক প্রত্যয় —> কাল্পনিক


'ঈ' প্রত্যয় হলে 'ঈ' কার হবে। যথা, 

অনুরাগ + ঈ প্রত্যয় —> অনুরাগী

সহযোগে + ঈ প্রত্যয় —> সহযোগী


সূত্র ৮

তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দে 'ঈ' কার হয়। যথা, 

নেত্রী

পাত্রী

ভিখারিণী 

রমণী

গৃহিণী 


সূত্র ৯

'কি' না 'কী'


বিস্ময়ার্থে সদাই 'কী'। যথা, 

কী ভয়ংকর! 

কী চমৎকার! 

কী সুন্দর! 


প্রশ্নবোধক হলে এবং উত্তর হ্যাঁ বা না হলে, 'কি' হবে। যথা, 

তুমি আমার সাথে যাবে কি ? 


অন্যথা 'কী' হবে। যথা, 

তোমার নাম কী ? 


সূত্র ১০

শেষে 'উ' কারের সাথে শুরুতে 'উ' কারের সন্ধি হলে 'ঊ' কারে পরিবর্তিত হয়। যথা, 

কটু + উক্তি —> কটূক্তি 

মরু + উদ্যান —> মরূদ্যান


ভুলের কোন অবকাশ থাকেনা, যদি মনটা সজাগ থাকে। 

আসি এইবার। 

ওঃ, এই লেখায় কোন ভুল বানান চোখে পড়লে আমাকে জানাবেন কিন্তু ।


ভেবেছিলাম এই জ্ঞান বিতরণ এর খেলায় ইতি টানব, কিন্তু অগ্রজপ্রতিম শিক্ষকের আদেশ উপেক্ষা করতে না পেরে  বেহায়া পাগলা দাশু ফিরে এল, অন্তরের টানে ফিরে এল। কি জানেন, মনের কথা ঝরঝরে ভাষায় লিখলে পড়েও সুখ। ঠিক বোঝাতে পারব না কেমন সুখ, কতটা সুখ। দেখা যাক, আর কতো ভূল জানী —


উদ্ভূত          উদ্ভুত নয়

উনিশ          ঊনিশ নয়

উপায়ান্তর    উপায়ন্তর নয়

উর্বশী          ঊর্বশী নয়


উঠছিল   উঠছিলো নয়

উঠত       উঠতো নয়

উঠব       উঠবো নয়

ওঠাব      ওঠাবো নয়


ঊর্ধ্ব        ঊর্ধ নয়

ঊর্মি        উর্মি নয়

এ তো      এতো নয়

ওড়িশা     উড়িষ্যা নয়


ওঁর                 ওনার নয়

কনিষ্ঠ             কনিষ্ঠতম কখনই নয়

কমিউনিজম   কম্যুনিজম নয়

কারবারি         কারবারী নয়


কশা           কষা নয়

(চাবুক কশানো) 

কষা           কশা নয়

(কষা মাংস) 

কারিগরি   কারিগরী নয়

কিম্ভূত       কিম্ভুত নয়


উজ্জ্বল   উজ্জল নয়

উতরাই   উৎরাই নয়

ইজ্জত     ইজ্জৎ নয়


ইদানীং    ইদানিং নয়

ইরান       ইরাণ নয়

ইসলামি   ইসলামী নয়


ইমারত      ইমারৎ নয়

ইশারা        ইসারা নয়

ইস্টবেঙ্গল  ইষ্টবেঙ্গল নয়


ঈদৃশ      ইদৃশ নয়

উত্ত্যক্ত    উত্যক্ত নয়

উঠল       উঠলো নয়


ওঠাব       ওঠাবো নয়

এ ছাড়া     এছাড়া নয়

একশা       একসা নয়


এখনও         এখনো নয়

এম. এসসি   এম. এস. সি নয়

এঁর               এনার নয়


এল               আসল বা আসলো নয়

এগিয়ো         এগিও নয়


এই বয়সে গৃহিণীর কানমলা খেয়ে শিখেছি।


'ভুতোর চন্দ্রবিন্দুর' সাথে পরিচয় আছে কী। না থাকাই ভাল। কেন অকালে চন্দ্রবিন্দুর ভার তুলবেন। আমরা বরং চন্দ্রবিন্দুর খেল দেখি,  ব্যঞ্জনবর্ণের এই শেষ বর্ণ পরের ঘাড়ে চেপে কেমন রাজত্ব করে। ইনি পরাশ্রয়ী বর্ণ, অন্য ব্যঞ্জনবর্ণের ঘাড়ে চড়ে তাকে সানুনাসিক করে তোলেন। কিন্ত এঁর ঘাড়ে চড়ার ধরণ কেমন? শিকার হিসেবে চন্দ্রবিন্দুর পছন্দ 'ঙ', 'ঞ', 'ণ', 'ন',' ম' ও 'ং'।


আসুন, একটু 'ঙ' নৌকায় বেড়িয়ে আসি।  


আমরা বেছে নিই কিছু তৎসম শব্দ যাতে 'ঙ' আছেন। যথা, 'বঙ্কিম', 'অঙ্কন' বা 'কঙ্কণ'।

এই শব্দগুলি থেকে 'ঙ' চলে গেলে পূর্ববর্তী বর্ণের উপর চন্দ্রবিন্দু অবতীর্ণ হন। যথা —


বঙ্কিম —> বাঁকা

অঙ্কন —> আঁকা

কঙ্কণ —> কাঁকন


চলুন, এইবারে 'ঞ'য়  চড়ে নাচা যাক ।দেখা যাক কিছু তৎসম শব্দ যাতে 'ঞ' বিরাজমান।


নিয়ম সেই একই, 'ঞ' যেখান থেকে বিদায় নেবেন, তার আগের বর্ণের ঘাড়ে চড়বেন চন্দ্রবিন্দু। যথা, 


পঞ্চ   —> পাঁচ

কাঞ্চা  —> কাঁচা

কাচে (গ্লাস) কিন্ত চন্দ্রবিন্দু নেই। 


এইবার 'ণ' নাকের পরে। 


কণ্টক —> কাঁটা

খেয়াল করুন, বিনা চন্দ্রবিন্দু, শব্দের অর্থ কিন্তু পাল্টে যেতে পারে। চন্দ্রবিন্দু না থাকলে হয়ে যাবে 'কাটা', যার অর্থ আলাদা। 

'মাছটি কাটা হল, দেখা গেল কাঁটা নাই।' 


এইবার দেখি শিবের বাহন এর কি গতি করেন চন্দ্রবিন্দু। 

ষণ্ড —> ষাঁড়


শীতের বেলায় 'কণ্থা' ছাড়া বাঁচা মুস্কিল। এইবারে চন্দ্রবিন্দুর খেল দেখুন। সেই এক নিয়ম।


কণ্থা —> কাঁথা


চন্দ্রবিন্দুর খপ্পরে নাপিতভায়ার 'ন' য়ের হাল দেখুন—


যন্ত্র  —> যাঁতা

তন্তু  —> তাঁতি


'খান' পদবীর হাল আরও মজাদার

খান —> খাঁ


সিন্দুর   —> সিঁদুর 

ইন্দুর    —> ইঁদুর 

বন্ধন    —> বাঁধন

অন্ধকার —> আধাঁর

স্কন্ধ    —>  কাঁধ

সন্তরণ  —>  সাঁতার

সন্ধ্যা   —>  সাঁঝ


ম-কারেরও ছাড় নেই চন্দ্রবিন্দুর হাত থেকে 

ঝম্প   —> ঝাঁপ

কম্পন  —> কাঁপন

গ্রাম    —> গাঁ


ং এর উদাহরণ দিতে শ্রী কৃষ্ণের শরণাপন্ন হতে হবে।  প্রকৃষ্ট উদাহরণ বাঁশি


বংশী   —> বাঁশি

হংস    —> হাঁস

কাংস্য —> কাঁসা


ব্যতিক্রম — 

সম্মানার্থে সর্বনাম । যথা, তাঁর, যাঁর, ইত্যাদি।

ধ্বন্যাত্মক শব্দ। যথা, শাঁ শাঁ, ভোঁ ভোঁ, কোঁ কোঁ ইত্যাদি।


পরাশ্রিত বর্ণের পরাক্রম দেখলেন তো। কেমন পরের ঘাড়ে কাঁঠাল ভাঙ্গে। 

===========================

       (3)●>  প্যালিনড্রোম


মেয়ে দুটি কলকল করে বললে, একটা সহজ দেখে দিই।

 বলো দেখি আঙ্কল, এই শ্লোকের মজাটা কোথায়?

তংভূসুতামুক্তিমুদারহাসংবন্দেয়তোভব্যভবমদয়াশ্রীঃ। শ্রীযাদবংভব্যভতোয়দেবংসংহারদামুক্তিমুতাসুভূতম্‌।।


আমি যথাবিহিত আমার প্রশ্নকর্ত্রীদেরই শরণাপন্ন হলুম।

ওরা বললে, প্রথম পংক্তিটি উল্টো করে পড়লেই দ্বিতীয় পংক্তি। এক্কেবারে প্যালিনড্রোম। কিন্তু অর্থ দাঁড়ায় দুরকম।

সরাসরি পড়লে পহেলিটি এই রকম। রামচন্দ্রের বন্দনা।

তংভূসুতামুক্তিমুদারহাসংবন্দেয়তোভব্যভবমদয়াশ্রীঃ।


মানে হল, প্রণাম করি সেই পুরুষকে যিনি সীতাকে উদ্ধার করেছিলেন, যাঁর হাসি মনোমুগ্ধকর, যাঁর আবির্ভাব মহিমময় এবং যিনি বিতরণ করেন অপার করুণা ও বিভা।

উল্টোদিক থেকে পড়লে শ্রীকৃষ্ণের স্তব।

শ্রীযাদবংভব্যভতোয়দেবংসংহারদামুক্তিমুতাসুভূতম্‌।।


অর্থাৎ, যদুবংশোদ্ভূত সেই পরমপুরুষ, যাঁর মধ্যে সূর্য এবং চন্দ্রের পূর্ণশোভা, যিনি বিধ্বংসী পুতনাকে বিনষ্ট করেছিলেন, এবং যিনি এই ব্রহ্মাণ্ডের প্রাণস্বরূপ, সেই শ্রীকৃষ্ণকে প্রণাম।

স্তম্ভিত হয়ে রইলাম খানিকক্ষণ। আশ্চর্য শব্দপ্রয়োগ। দীর্ঘ সমাসবদ্ধ প্যালিনড্রোম অথচ কী নিখুঁত অর্থব্যঞ্জনা। কোথায় পেলো এই বালিকারা এই আশ্চর্যের খোঁজ? কোন্ কাননের ফুল তোরা? কোন্ গগনের তারা?

টুকে রাখলাম পহেলিটি। ভদ্রলোকের নাম ঠিকানাও।  ।

আমার বড়ু ও ছোটকু আর একটু বড়ো হোক।  সদানন্দ মুত্তুস্বামী, আমি এই এলুম বলে।

------------------------- 

=========================


6>সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।---

   

1>সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।---

2>কিছু শব্দের অশুদ্ধ ও শুদ্ধ প্রয়োগ::--

3>কিছু লেখা::--কিছু বানান।

4>চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার::--

5>বাংলায় চন্দ্রবিন্দু::---

6>সত্তা, সত্ত্বা, স্বত্বা

7>কিছু আরবি শব্দ--

======================

1>সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।---

       To (etc)

★1>অন্ন----ভাত।

         অন্য---অপর।


★2>অর্ঘ----মূল্য।

         অর্ঘ্য---পুজর উপকরণ।

★3>অশ্ব-----ঘোড়া।

         অশ্ম-----পাথর।

★4>আপন----নিজ।

         আপণ----দোকান।

★5>আবরণ----আচ্ছাদন

         আভরণ----অলংকার।

★6>আসার-------প্রবল বর্ষণ।

         আষার-------মাস বিশেষ।

★7>কমল---------পদ্ম।

         কোমল-------নরম।

★8>কুজন---------খারাপ লোক।

         কূজন----------পাখির ডাক।

★9>কুল-------------বংশ।

         কূল------------নদীর তীর।

★10>কালি--------রং বিশেষ।

          কালী---------দেবী বিশেষ।

★11>কটি-----------কোমর।

         কোটি---------সংখ্যা বিশেষ।

★12>গিরিশ-------মহাদেব।

          গিরীশ-------হিমালয়।

★13>চাষ--------কৃষি কাজ।

           চাস--------নীলকন্ঠ পাখি।

★14>জ্বর---------রোগ বিশেষ।

           জড়--------অচেতন।

★15>বিনা--------ছাড়া।

            বীণা-------বাদ্যযন্ত্র বিশেষ।

★16>দিন---------দিবস।

           দীন---------দরিদ্র।

★17>দীপ---------প্রদীপ।

          দ্বীপ---------জলবেষ্টিত ভূ-ভাগ।

★18>দেশ----------রাষ্ট্র।

           দ্বেষ----------হিংসা।

★19>ধুম-----------জাঁকজমক।

           ধূম-----------ধোঁয়া।

★20>লক্ষ----------দেখা, সংখ্যা বিশেষ।

          লক্ষ্য----------উদ্দেশ্য।

★21>পানি----------জল।

           পাণি----------হাত।

★22>শাপ----------অভিশাপ।

           সাপ----------সর্প।

★23>শারদা-------দুর্গা।

            সারদা------সরস্বতী।

★24>শূর---------বীর।

           সুর----------দেবতা,  কন্ঠস্বর।

★25>সাক্ষর-------অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন।

           স্বাক্ষর-------সই,  দস্তখত।

★26>বাণ-----------তীর।

          বান-----------বন্যা।         

★27>বিশ----------সংখ্যা বিশেষ।

          বিষ----------গরল।

★28>আশা--------বাসনা।

          আসা--------আগমন।

★29>পড়া---------পাঠ করা।   

           পরা----------পরিধান করা।

★30>সকল--------সমস্ত।

           শকল--------মাছের আঁশ।


           ========================



2>কিছু শব্দের অশুদ্ধ ও শুদ্ধ প্রয়োগ::--


অশুদ্ধ ---------------------------শুদ্ধ

-------------                     ---------–-------

অংগ------------------------- অঙ্গ

অংগন------------------------ অঙ্গন

অগ্র গণ্য--------------------- অগ্রগণ্য

অকাল প্রয়াত------------- অকালপ্রয়াত

অগ্রহায়ন--------- অগ্রহায়ণ (মাসের নাম)

অঘ্রাণ---------------------- অঘ্রান

আকুল---------------------- অকুল

অংক------------------------ অঙ্ক

অংকন---------------------- অঙ্কন

অংকুর---------------------- অঙ্কুর

অংগাংগী/অঙ্গাঙ্গী--------- অঙ্গাঙ্গি

অচিন্ত্যনীয়----------------- অচিন্তনীয়

অচিন্ত---------------------- অচিন্ত্য

অঞ্জলী--------------------- অঞ্জলি

অনু-পরমাণু---------------- অণু-পরমাণু

অতিথী---------------------- অতিথি

অতিষ্ট---------------------- অতিষ্ঠ

অতিব---------------------- অতীব

অত্যাধিক------------------অত্যধিক

অত্যান্ত---------------------অত্যন্ত

অদ্ভূত---------------------- অদ্ভুত

অদ্যপি-------------------- অদ্যাপি

অদ্যবধি------------------ অদ্যাবধি

অধঃস্তন ----------------------অধস্তন

অধীক--------------------অধিক

অধীনস্ত------------------অধীনস্থ

অধ্যাবসায়-------------- অব্যবসায়

অধ্যায়ন----------------- অধ্যয়ন

অনিন্দসুন্দর------------- অনিন্দ্যসুন্দর

অনিষ্ঠ--------------------- অনিষ্ট

অনুকুল-------------------- অনুকূল

অনুমদিত------------------ অনুমোদিত

অনুসঙ্গ/অনুসংগ ------------অনুষঙ্গ

অনুর্ধ্ব অনূদিত-----------অনুদিত অনূর্ধ্ব


অন্তকরণ------------------- অন্তঃকরণ


অন্তঃসত্তা/অন্তসত্বা-------- অন্তঃসত্ত্বা

অন্তস্থ,----------------------- অন্তঃস্থ,

অন্তঃস্থ------------------- অন্তস্থ (শেষে

                                    অবস্থিত অর্থে)


অন্তর্মুখি -------------------------অন্তর্মুখী

অন্যমনষ্ক-------------------- অন্যমনস্ক

অণ্বেষণ---------------------- অন্বেষণ


★অপরাহ্ন---------------------- অপরাহ্ন

অর্পণা-------------------------- অপর্ণা


★অপস্রিয়মান/অপসৃয়মান-- অপসৃয়মাণ



অপাংক্তেয়/অপাঙ্তেয়------ অপাঙ্ক্তেয়

★অপারক ----------------------------অপরাগ★

অপেক্ষমান------------------ অপেক্ষমাণ

অভিভুত---------------------- অভিভূত


★অভিমুখি, অভিমুখিনতা  অভিমুখী, অভিমুখীনতা


★আভ্যন্তরীণ------------- অভ্যন্তরীণ (তবে, আভ্যন্তরিক)


অভ্যস্থ-------------------------- অভ্যস্থ

অমানুসিক------–---------- অমানুষিক

অমাবশ্যা/আমাবস্যা------ অমাবস্যা

অর্ধ্ব------–------------------–-অর্ধ

অর্ধ শিক্ষিত----------------- অর্ধশিক্ষিত

অলংঘ/অলঙ্ঘ, দুর্লঙ্ঘ-------- অলঙ্ঘ্য, 

                                                  দুর্লঙ্ঘ্য

অস্তমান--------------------- অস্তায়মান

অহঃরহ/অহোরহ ----------------অহরহ

আই, এ -----------------------–--আই. এ.

আইনত: ---------------------------আইনত

আঁকা বাঁকা/আকাবাকা ------আঁকাবাঁকা


★আস্তকুঁড়/আস্তাকুড় ------------আস্তাকুড়


আকষ্মিক ---------------------------আকস্মিক


★★আকাংখা/আকাঙ্খা-- আকাক্সক্ষা


আকুল -------------------------------আকুল

আকুতি------------------------ আকূতি

আক্রমন -----------------------------আক্রমণ

আটপৌড়ে -------------------------আটপৌরে

আড়ৎ ---------------------------------আড়ত

আড়ষ্ঠ---------------------------- আড়ষ্ট

আঁড়াআড়ি, আঁড়ি----- আড়াআড়ি, আড়ি

আঁড়ি পাতা----------------- আড়িপাতা

আনবিক-------------------- আণবিক

আতংক---------------------- আতঙ্ক

আত্মস্যাৎ-------------------- আত্মসাৎ

আদ্যান্ত/আদ্যোন্ত------------ আদ্যন্ত

আনুষাঙ্গিক/আনুসাঙ্গিক-- আনুষঙ্গিক

আপোষ/আপোস------------- আপস

আপাততঃ--------------------- আপাতত

আপাতঃদৃষ্টে---------------- আপাতদৃষ্টে

আপাতঃমধুর -------------------আপাতমধুর

অভ্যন্তরিক------------------- আভ্যন্তরক

আয়ত্ব/আয়ত্ত্ব----------------- আয়ত্ত

আয়ত্বাধীন/আয়ত্ত্বাধীন/------- আয়ত্তাধীন

আরাম্ভ-------------------------- আরম্ভ

আর্দ/আদ্র---------------------- আর্দ্র

আলিংগণ/আলিংগন---------- আলিঙ্গন

আলচ্য/আলোচ্যমান----------- আলোচ্য

আশংকা-------------------–----- আশঙ্কা

আশীষ--------------------------- আশিস

আহূতি ---------------------------------আহুতি

আহুত----------------- আহূত (আহূত সভা)

আহ্নিক আহ্নিক

ইংগিত ইঙ্গিত

ইচ্ছা মতো/ইচ্ছে মতো ইচ্ছামতো/ইচ্ছেমতো

ইতিপূর্বে ইতঃপূর্বে

ইতঃস্তত ইতস্তত

ইতিমধ্যে ইতোমধ্যে

ইদানিং ইদানীং

ইয়ত্বা/ইয়ত্ত্বা ইয়ত্তা

ইষ্ঠ ইষ্ট (ইষ্টদেবতা)

ইস্পিত ইপ্সিত

ইষৎ ঈষৎ

উচিৎ উচিত

উচ্চ শিক্ষা, উচ্চ শিক্ষিত উচ্চশিক্ষা, উচ্চশিক্ষিত

উচ্চৈস্বরে উচ্চৈঃস্বরে

উচ্ছ্বল উচ্ছল

উশৃঙ্খল/উছৃঙ্খল উচ্ছৃঙ্খল

উচ্ছাস উচ্ছ্বাস

উজ্জল/উজ্বল উজ্জ্বল

উৎকর্ষতা/ঔৎকর্ষ উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা

উত্তরন/উত্তোরণ উত্তরণ

উত্তরসুরী উত্তরসূরি

উত্তলন উত্তোলন

উত্যক্ত উত্ত্যক্ত

উদীচি উদীচী

উদ্বিঘ্ন উদ্বিগ্ন

উদ্ভিজ উদ্ভিজ্জ

উদ্ভুত উদ্ভূত

উদ্দান উদ্যান

উদ্দ্যোগ উদ্যোগ

ঊনিশ উনিশ

উপকুল উপকূল

উপরোক্ত উপর্যুক্ত

উপলক্ষ্য উপলক্ষ

উপচার্য উপাচার্য

উভয়চর উভচর (উভচর প্রাণী)

উল্লেখিত/উপরোল্লেখিত উল্লিখিত

উন ঊন

উনবিংশ ঊনবিংশ (কিন্তু উনিশ)

উরু ঊরু

উর্ধ/ঊর্ধ/উর্দ্দ/ঊর্দ্ধ/উর্ধ্ব ঊর্ধ্ব

উর্মি ঊর্মি

উষর ঊষর

উহ্য ঊহ্য (কিছুই ঊহ্য রাখি নি)

অত্র অফিসে এই অফিসে

এই সঙ্গে, সেই সঙ্গে এইসঙ্গে, সেইসঙ্গে

এক কালীন এককালীন

[যে-কোন লোক অর্থে] এক জন একজন

[একটি মাত্র লোক অর্থে] একজন এক জন

ঐক্যতা একতা, ঐক্য

একনিষ্ট একনিষ্ঠ

এক প্রকার একপ্রকার

এক মত একমত

এক মাত্র, একটি মাত্র একমাত্র, একটিমাত্র

এক রাশ একরাশ

এক সঙ্গে একসঙ্গে

এক সময়/এক সময়ে একসময়/একসময়ে

একাকিত্ব একাকীত্ব

একাধিক্রমে একাদিক্রমে

এককৃত একীকৃত

একভুত একীভূত

এক্ষুণি এক্ষুনি

এতো এত (এত টাকা)

এতদ্সঙ্গে এতৎসঙ্গে

এতদ্সত্ত্বেও এতৎসত্ত্বেও

এতদ্বারা এতদ্দবারা/এতদ্দ্বারা

এ ত/এত/এতো এ তো

এবম্প্রকার এবংপ্রকার

এবম্বিধ এবংবিধ

এম, এ এম. এ.

এমন কি এমনকি

আসল/আসলো এল

এশিয় এশীয়

ঐক্যতান ঐকতান

ঐকবদ্ধ ঐক্যবদ্ধ

ঐক্যমত/ঐক্যমত্য ঐকমত্য

ঐক্যতা ঐক্য/একতা

উনাদের/ওনাদের ওঁদের

উনার/ওনার ওঁর

উনারা/ওনারা ওঁরা

ওতঃপ্রোত/ওতোপ্রেত ওতপ্রোত

ঔচিত্ত ঔচিত্য

উদ্ধত্য/ঔদ্ধত্ত ঔদ্ধতা

কংকণ/কংকন/কঙ্কন কঙ্কণ

কংকাল কঙ্কাল

কটুক্তি কটূক্তি

কনা কণা

কণ্ঠস্ত কণ্ঠস্থ

কতো কত

কত না কত-না

কথঞ্চিত কথঞ্চিৎ

কথা মতো কথামতো

কথপোকথন কথোপকথন

কদাচিত কদাচিৎ

কনিষ্ট কনিষ্ঠ

কএক, কএকটি, কএক জন কয়েক, কয়েকটি, কয়েক জন

কয়েকবার কয়েক বার

কয়েদী কয়েদি

করন করণ (নবীকরণ, নিয়মিতকরণ)

করনিক করণিক

কতৃক কর্তৃক

কতৃত্ত্ব কর্তৃত্ব

কতৃপক্ষ কর্তৃপক্ষ

কর্তী/কত্রী কর্ত্রী

কর্মচারি কর্মচারী

কলংক কলঙ্ক

কলসী কলসি

কল্যান কল্যাণ

কল্যানীয়াষু কল্যাণীয়াসু [মহিলার ক্ষেত্রে]

কল্যানীয়েসু কল্যাণীয়েষু [পুরুষের ক্ষেত্রে]

কষ্ঠি কষ্টি (কষ্টি পাথর)

কাকলী কাকলি

কাংখিত/কাঙ্খিত কাক্সিক্ষত

কাঁচ কাচ

কাছ ছাড়া কাছ-ছাড়া (কাছ-ছাড়া হওয়া)

কাতলা কাৎলা (রুই কাৎলা)

কাপড়-চোপড় কাপড়চোপড়

কার্যতঃ কার্যত

কাল বিলম্ব কালবিলম্ব

কিংবদন্তী/কিম্বদন্তী কিংবদন্তি

কিম্বা কিংবা

কিম্ভুত কিম্ভূত

কুটীল/কূটিল কুটিল

কুৎসিৎ কুৎসিত

কুসুম কলি কুসুমকলি

কুটনীতি কূটনীতি

কূল কিনারা কূলকিনারা

কৃচ্ছতা, কৃচ্ছসাধন কৃচ্ছ্রতা, কৃচ্ছ্রসাধন

কৃষিজীবি কৃষিজীবী

কৃষ্টিবান কৃষ্টিমান

কেও কেউ

ক্যানো কেন

কেন না কেননা

কেন্দ্রিয় কেন্দ্রীয়

কেবল মাত্র কেবলমাত্র

কেরাণী কেরানী (কিন্তু করণিক)

কোণাকুণি কোনাকুনি (অথচ কোণ)

কোন কোনো (কোনো লোক)

কোনক্রমে কোনোক্রমে

কৌতূক কৌতুক

কৌতুহল কৌতূহল

কচিৎ ক্বচিৎ

ক্রুর ক্রূর

ক্রেতা সাধারণ ক্রেতাসাধারণ

ক্ষীয়মান ক্ষীয়মাণ

ক্ষুন্ন ক্ষুণ্ন

ক্ষুধপিপাসা ক্ষুৎপিপাসা

ক্ষুণ্নিবৃত্তি ক্ষুন্নিবৃত্তি

ক্ষুব্দ ক্ষুব্ধ

খেতমজুর ক্ষেতমজুর

ক্ষেপন, ক্ষেপনাস্ত্র ক্ষেপণ, ক্ষেপণাস্ত্র

খঞ্জনী/খঞ্জনী খঞ্জনি

খুটিনাটি খুঁটিনাটি

খুঁকি/খোকি/খুকী খুকি

খুড়ী খুড়ি

খুনি খুনী

খুশী/খুসি খুশি

খুশি মনে খুশিমনে

খেলাধূলা খেলাধুলা/খেলাধুলো

খেলোয়ার খেলোয়াড়

খোজ, খোজ খবর খোঁজ, খোঁজখবর

খোঁয়ার খোঁয়াড় (গরু ছাগলের খোঁয়াড়)

খোলাখোলি খোলাখুলি

খৃষ্ট খ্রিষ্ট

খৃষ্টাব্দ খ্রিষ্টাব্দ

গগণ গগন

গংগা গঙ্গা

গঞ্জ/গন্জ গঞ্জ

গন্ডালিকা গড্ডলিকা

গন গণ

গননা/গনণা গণনা

গনপুর্ত/গনপূর্ত গণপূর্ত

গনপ্রজাতন্ত্র, গনপ্রজাতন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্র, গণপ্রজাতন্ত্রী

গনমুখি/গণমুখি, গণমুখিনতা গণমুখী, গণমুখীনতা

গনিত গণিত

গন্ডুষ গণ্ডুষ

গন্য, গন্যমান্য গণ্য, গণ্যমান্য

গত্যান্তর গত্যন্তর

গবেষনা গবেষণা

গরীব গরিব

গর্ধব গর্ধভ

গাথা গাঁথা [রচিত বা নির্মিত অর্থে]

গাড়ী, গাড়িঘোরা গাড়ি, গাড়িঘোড়া

গার্হস্থ গার্হস্থ্য

যেয়ে গিয়ে (সে স্কুলে না গিয়ে খেলতে গেছে)

গীর্জা গির্জা

গুরা/গুঁরা/গুড়া গুঁড়া/গুঁড়ো (গুঁড়া/গুঁড়ো দুধ)

গুন গুণ [দোষের বিপরীত অর্থে]

গুণে গুণে গুনে গুনে

গুলি [বন্ধুকের, পিস্তলের] গুলী

গৃহস্ত গৃহস্থ

গৃহিত গৃহীত [অর্থ- যা গ্রহণ করা হয়েছে]

গ্যালো গেল

গোধুলি গৌধূলি (তবে গোধুলি প্রচলিত)

গোষ্ঠি গোষ্ঠী

গোস্পদ গোষ্পাদ

গ্রন্থী গ্রন্থি

প্রস্থ প্রস্ত (যেমন- ক্ষতিগ্রস্ত বিপদগ্রস্ত)

গ্রহন গ্রহণ

গৃহীতা/গ্রহিতা গ্রহীতা [অর্থ- যে গ্রহণ করেছে]

গ্রামীন গ্রামীণ

গ্রীক, গ্রীস গ্রিক, গ্রিস

গুটি [দাবার] ঘুঁটি

ঘনিষ্ট ঘনিষ্ঠ

ঘরণি/ঘরণী ঘরনি

ঘাটি ঘাঁটি

ঘূণ ঘুণ

ঘুরে ফিরে ঘুরেফিরে

ঘুসখোর ঘুষখোর

ঘুর্নি ঘূর্ণি

ঘুর্ণীয়মান ঘূর্ণ্যমান/ঘূর্ণায়মান

ঘুরাঘুরি/ঘোরাঘোরি ঘোরাঘুরি

ঘোরা ফেরা ঘোরাফেরা

ঘোষনা ঘোষণা

ঘ্রান ঘ্রাণ

চন্চল/চঞ্চল চঞ্চল

চট্রগ্রাম চট্টগ্রাম

চরক চড়ক

চত্তর চত্বর

চাকরানী/চাকরাণী চাকরানি

চাকরী/চাকুরী চাকরি/চাকুরি

চাতুর্যতা চাতুর্য

চিক্কন/চিক্কন চিক্কণ

চির ধরা চিড় ধরা [ফাটল ধরা অর্থে]

চীৎকার চিৎকার

চিরুণি/চিরুণী চিরুনি

চিহ্ন চিহ্ন

চুড়মার চুরমার

চড়ান্ত চূড়ান্ত

চোষ্য চূষ্য

চোখধাঁদানো চোখধাঁধানো

চোখে পরা চোখে পড়া

চৌচিড় [ফেটে] চৌচির

ছাকনি ছাঁকনি

ছাকা ছাঁকা

ছাঁট ছাট (যেমন- বৃষ্টির ছাট)

ছাত্রীবাস ছাত্রীনিবাস

ছিলো ছিল

ছোওয়া ছোঁওয়া

ছোকড়া ছোকরা

ছোটখাট, ছোটবড় ছোটোখাটো, ছোটোবড়ো

ছোটোছোটি ছোটাছুটি

ছোড়া ছোরা (বড়ো ছুরি অর্থে)

জংগল জঙ্গল

জগত জগৎ

জঘণ্য জঘন্য

জটাজুট জটাজূট

জটীল জটিল

জানানা [‘জনাব’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হয় না। মিসেস/বেগম লেখা যেতে পারে]

জবানবন্দী জবানবন্দি

জ্বরা জরা (কিন্তু জ্বর, জ্বরজ্বালা)

জ্বরাকীর্ণ জরাজীর্ণ

জরুরী জরুরি

জাগরুক জাগরূক

জাতী জাতি

জাতিয় জাতীয়

জাতীয়করন জাতীয়করণ

জাত্যাভিমান জাত্যভিমান

যাদুঘর জাদুঘর

জানুয়ারী জানুয়ারি

জিনিষ জিনিস

জীবীকা জীবিকা

জীবি জীবী (যেমন- পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী)

জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশাসন জেলাপ্রশাসক, জেলাপ্রশাসন

জেষ্ঠ্য জ্যেষ্ঠ

জৈষ্ঠ্য জ্যৈষ্ঠ

ঝাঁঝ, ঝাঁঝালো ঝাঁজ, ঝাঁজালো

ঝাঁজরা, ঝাঝরা ঝাঁঝরা

ঝুড়ি, ঝুড়িভাজা ঝুরি, ঝুরিভাজা

ঝোঁপ, ঝোঁপঝাড়/ঝোপ ঝাড় ঝোপ, ঝোপঝাড়

টাকশাল টাকশাল

টানানো, টানিয়ে রাখা টাঙানো, টাঙিয়ে রাখা

টেকসই টেকসই

ডাইনী ডাইনি

ঢু মারা ঢুঁ মারা

তক্ষুণি তক্ষুনি

তছরূপ তছরুপ

তড়িত তড়িৎ

ততক্ষণাৎ তৎক্ষণাৎ

তদ্সংক্রান্ত তৎসংক্রান্ত

ততো তত

ততধিক ততোধিক

তত্তজ্ঞান/তত্বজ্ঞান তত্ত্বজ্ঞান

তত্তাবধান/তত্বাবধান তত্ত্বাবধান

তত্তাবধান/তত্বাবধান তত্ত্বাবধান

তত্তাবধায়ক/তত্বাবধায়ক তত্ত্বাবধায়ক

তৎবিষয়ক তদ্বিষয়ক

তদানুসারে তদনুসারে

তদ্রুপ তদ্রুপ

তফাত তফাৎ

তরংগ তরঙ্গ

তর্জনি তর্জনী

তষ্কর তস্কর

তাঁতী তাঁতি

তাছাড়া তা ছাড়া

তাহলে তা হলে [তাহা হইলে এর চলিত রূপ]

তাবত তাবৎ

তিতীক্ষা তিতিক্ষা

তিরষ্কার তিরস্কার

তিনতলা তে-তলা (সে থাকে তে-তলায়)

তো (আমিতো এ-কথা বলি নি)

তেজ্য/ত্যজ্য ত্যাজ্য (ত্যাজ্যপুত্র)

ত্রান ত্রাণ

ত্রিভূজ ত্রিভুজ

তরান্বিত ত্বরান্বিত

তরিত/ত্বরিৎ ত্বরিত

থুত্থুরে থুত্থুড়ে (থুত্থুড়ে বুড়ো)

দক্ষিন দক্ষিণ

দন্ডবত দণ্ডবৎ

দরকারী দরকারি

দরুণ দরুন (কিন্তু দারুণ)

দশ জন [মানুষজন অর্থে] দশজন (যেমন- দশজনে কী বলবে, ভেবেছ?]

[দশ ব্যক্তি অর্থে] দশজন দশ জন (যেমন- মিটিংয়ে লোক কোথায়? মাত্র দশ জন বসে আছে।)

দস্তুর মতো দস্তুরমতো

দাদী দাদি

দাবী দাবি

দামী দামি

দারিদ্রতা দারিদ্র্য (কিন্তু দরিদ্রতা)

দারুন দারুণ (কিন্তু দরুন)

দেই দিই (প্রদান করি অর্থে)

দিকভ্রম, দিকভ্রান্ত দিগভ্রম, দিগ্ভ্রান্ত

দীঘি, দিঘী দিঘি

দিকনির্ণয় দিঙ্নির্ণয়

দিক্নির্দেশ, দিক্নির্দেশনা দিঙ্নির্দেশ, দিঙ্নির্দেশনা

দিশারী দিশারি

দিক্ষা দীক্ষা

দীর্ঘজীবি দীর্ঘজীবী

দীর্ঘ দিন, দীর্ঘ কাল দীর্ঘদিন, দীর্ঘকাল [অনেক দিন অর্থে]

দীর্ঘসূত্রি, দীর্ঘসূত্রিতা দীর্ঘসূত্রতা (কিন্তু দীর্ঘসূত্রী)

দুপুর বেলা দুপুরবেলা

দুরাবস্থা দূরবস্থা

দূরারোগ্য দূরারোগ্য

দুড় দুড় দুরুদুরু (যেমন- দুরুদুরু বক্ষে)

দুরুহ দুরূহ

দূর্গ দুর্গ

দুর্গা দূর্গা

দূর্ঘটনা দুর্ঘটনা

দুষ্কৃতিকারী দুষ্কৃতকারী

দুত, দূতবাস দূত, দূতাবাস

দূরবীক্ষন দূরবীক্ষণ

দূরবীণ দূরবীন

দুর্বা ঘাস দূর্বা ঘাস

দোষনীয় দূষণীয় (অথবা দূষ্য)

দৃকপাত দৃক্পাত

দৃঢ় প্রতিজ্ঞ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ

দৃঢ়করণ, দৃড়ভূত হওয়া দৃঢ়ীকরণ, দৃঢ়ীভূত হওয়া

দৃষ্টিকোন দৃষ্টিকোণ

দৃষ্ঠিভঙ্গী দৃষ্টিভঙ্গি

দেয়া, দেয়া-নেয়া দেওয়া, দেওয়া-নেওয়া

দেদীপ্যমাণ দেদীপ্যমান

দেরী দেরি

দৈন্যতা দৈন্য/দীনতা

দুষ দোষ

দৌরাত্ম দৌরাত্ম্য

দ্বন্দ দ্বন্দ্ব

দ্বিতীয়তঃ দ্বিতীয়ত

ধন্য বাদ ধন্যবাদ

ধরণ ধরন

ধরণধারণ ধরনধারণ

ধর্ম শালা ধর্মশালা

ধ্বস ধস

ধ্বস্তাধ্বস্তি ধস্তাধস্তি

ধাঁধাঁ ধাঁধা

ধারন ধারণ

এ ধরণের এ ধরনের

ধারনা ধারণা

ধারে কাছে ধারেকাছে

ধূলা ধুলা/ধুলো/ধুলি

ধুমপান ধূমপান

ধুর্ত ধূর্ত

ধুলি/ধূলা ধূলি/ধুলা

ধুলিস্যাৎ ধূলিসাৎ (কিন্তু নস্যাৎ)

ধুসর ধূসর

ধজা ধ্বজা

ধ্বনী ধ্বনি

নগন্য নগণ্য

নচেত নচেৎ

নচ্ছাড় নচ্ছার

নড়া চড়া নড়াচড়া

নোতুন নতুন (কিন্তু নূতন)

নদি নদী

নবীণ নবীন

নভোচর নভশ্চর

নমষ্কার নমস্কার

নয় তো নয়তো

নাড়া চাড়া নাড়াচাড়া

নানী নানি

নাম ডাক নামডাক

নেই নিই (আমি নিই)

নিক্কন নিক্কণ

নীচু নিচু

নীচে নিচে

নীজ নিজ

নিদারুন/দারুন নিদারুণ/দারুণ

নিন্দ্যনীয় নিন্দনীয়

নীবিড়ভাবে/নিবীড়ভাবে নিবিড়ভাবে

নীরলস নিরলস

নিরহাঙ্করী নিরহঙ্কার

নীরাপত্তা নিরাপত্তা

নীরিক্ষণ/নীরিক্ষা নিরীক্ষণ/নিরীক্ষা

নিরুপন নিরূপণ

নির্নয় নির্ণয়

নির্দোষী নির্দোষ

নির্ধনী নির্ধন

নির্দ্ধারণ নির্ধারণ

নির্ণিমেষ নির্নিমেষ

নির্ভিক নির্ভীক

নির্মীত নির্মিত

নিয়মিতকরণ নিয়মিতকরণ

নিষেধ নিষেধ

নিস্কাশন নিষ্কাশন

নিষ্ক্রীয় নিষ্ক্রিয়

নিষ্প্রোজন নিষ্প্রয়োজন

নিচ নীচ (হীন অর্থে)

ণীড় নীড়

নিরব নীরব

নিরস নীরস

নিরোগ নীরোগ

নিহারীকা নীহারিকা

নুতন নূতন (কিন্তু নতুন) [বর্তমানে নূতন এর প্রয়োগ হয় না]

নুপুর নূপুর

নেয়া নেওয়া (নে’য়া)

নৈ:শব্দ নৈঃশব্দ্য

ন্যয্য ন্যায্য

ন্যয় ন্যায়

নূন্য, নূন্যতম, নূন্যপক্ষে ন্যূন, ন্যূনতম, ন্যূনপক্ষে

পক্ক পক্ব

পংক্তি/পঙ্তি পঙ্ক্তি

পংক, পংকজ পঙ্ক, পঙ্কজ

পছন্দ সই পছন্দসই

পড়শী পড়শি

পড়াশুনা পড়াশোনা/পড়াশুনো

পন পণ

পণ প্রথা পণপ্রথা

পন্ডিতমন্যতা, হীনমন্যতা পন্ডিতম্মন্যতা/ হীনম্মন্যতা

পন্য পণ্য

পথিকৃত পথিকৃৎ

পথমধ্যে পথিমধ্যে

পদধুলি পদধূলি

পদবী পদবি

পণির, পনীর পনির

পর দিন, পর মুহূর্ত পরদিন, পরমুহূর্ত

পরবর্তীতে পরবর্তী কালে/পরবর্তী সময়ে

পরমানু পরমাণু

পরষ্পর পরস্পর

পড়া (কাপড়) পরা (কাপড় পরা, কিন্তু বই পড়া)

পরান্মুখ পরাম্মুখ

পরামর্শ মতো পরামর্শমতো

পরাস্থ পরাস্থ

পরিনাম পরিণাম

পরিবহণ পরিবহন

পরিমান পরিমাণ

পরিষদ/পর্ষদ পরিষদ/পর্ষদ্/পরিষৎ/পর্ষৎ

পরিস্কার পরিষ্কার

পুরষ্কার পুরস্কার

পরীক্ষা-নীরিক্ষা পরীক্ষা-নিরীক্ষা

পন্ডাদপট, পন্ডাদপদ পন্ডাৎপট, পন্ডাৎপদ

পন্ডাৎগামী পন্ডাদ্গামী

পন্ডাৎভূমি পন্ডাদ্ভূমি

পাবার পাওয়ার

পাখী পাখি

পার পাড় (যেমন- পুকুরের পাড়)

পাড় [তীর অর্থে] পার (যেমন- নদীর পার)

পারদর্শীতা পারদর্শিতা

পারমানবিক পারমাণবিক

পার্বন পার্বণ

পালংক পালঙ্ক

পি.এইচ.ডি/পি-এইচ.ডি. পিএইচ.ডি.

পিপিলিকা পিপীলিকা

পিচাশ পিশাচ

পিসী পিসি

পিঠস্থান পীঠস্থান

পীড়াপিড়ি পীড়াপীড়ি

পুংখানুপুংখ পুঙ্খানুপুঙ্খ

পূজো পুজো/পুজা

পুন্য পুণ্য (কিন্তু পূর্ণ)

পুণর্গঠন/পূর্ণগঠন পুনর্গঠন

পুণবিবেচনা পুনর্বিবেচনা

পূব পুব (যেমন- পুব দিক, পুবের হাওয়া)

পূবালী পুবালি/পুবালী

পৌরসভা পুরসভা/পৌর সভা

পুরষ্কার পুরস্কার

পুস্তরিনী পুষ্করিণী

পুর্ন পূর্ণ (কিন্তু পুণ্য)

পূর্বাহ্ন পূর্বাহ্ন

পৃথকীকরণ পৃথক্করণ (পৃথকীকরণও ব্যবহার করা চলে)

পৃথকন্ন/পৃথকান্ন পৃথগন্ন (একান্নবর্তী নয় এমন অর্থে)

পেপে/পেঁপেঁ পেঁপে

পৈত্রিক পৈতৃক

পোষাক পোশাক

পৌঁছে (যেমন- সে পৌঁছে, ট্রেন পৌঁছে ইত্যাদি) পৌঁছয় (যেমন- ট্রেন পৌঁছয়)

পৌরহিত্য পৌরোহিত্য

প্রজ্জলন, প্রজ্জলিত প্রজ্বলন, প্রজ্বলিত

প্রণয়ন প্রণয়ন

প্রনালী প্রণালী

প্রনিধান প্রণিধান

প্রতিকুল প্রতিকূল

প্রতিনিধি দল প্রতিনিধিদল

প্রতিযোগীতা প্রতিযোগিতা

প্রতিশ্রুতিবান প্রতিশ্রুতিমান

প্রত্যয়ণ প্রত্যয়ন

প্রথমত: প্রথমত

প্রধানত: প্রধানত

প্রবীন প্রবীণ

প্রবহমাণ প্রবহমান

প্রভুত প্রভূত

প্রয়ান প্রয়াণ

প্রশাসনিক ভবন প্রশাসন-ভবন

প্রশাসনিক প্রাশাসনিক

প্রসংশা প্রশংসা

প্রসমন প্রশমন

প্রশস্থ প্রশস্থ

প্রসংগ প্রসঙ্গ

প্রাংগন/প্রাঙ্গন প্রাঙ্গণ

প্রাণপন প্রাণপণ

প্রানীজগৎ প্রাণিজগৎ

প্রানীবিদ্যা প্রাণিবিদ্যা

প্রাত:রাশ প্রাতরাশ

প্রিয়ম্বদা প্রিয়ংবদা

প্রিয়তমাষু প্রিয়তমাসু (মহিলার ক্ষেত্রে)

প্রিয়তমেসু প্রিয়তমেষু (পুরুষের ক্ষেত্রে)

প্রিয়ভাজন প্রীতিভাজন

প্রোজ্জল/প্রোজ্বল প্রোজ্জ্বল

ফনা ফণা

ফলশ্রুতি ফল/শেষ ফল/ফলাফল

ফলপ্রসু ফলপ্রসূ

ফলত: ফলত

ফাল্গুণ ফাল্গুন

ফুর্ত্তি ফুর্তি (তবে স্ফূর্তি)

ফেণ, ফেণা ফেন, ফেনা

ফেব্রুয়ারী ফেব্রুয়ারি

বংকিম বঙ্কিম

বংগ বঙ্গ

বক্ষমান বক্ষ্যমাণ

বক্ষস্থল বক্ষঃস্থল

বড় লোক/বড়ো লোক বড়লোক (ধনী অর্থে)

বনিক বণিক

বন্টন বণ্টন

বৎস্য বৎস

বন ভোজন বনভোজন

বনষ্পতি বনস্থতি

বন্দ্যোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়

বয়োকনিষ্ট বয়ঃকনিষ্ঠ

বয়ষ্ক বয়স্ক

বয়োজ্যেষ্ঠ বয়োজ্যেষ্ঠ

বর্জ পদার্থ বর্জ্য পদার্থ

বর্ণালী বর্ণালি

বর্ত্তমান বর্তমান

বর্ষন বর্ষণ

বর্ষীয়াণ বর্ষীয়ান

বশম্বদ বংশবদ

বস্তুতঃ বস্তুত

বহির্মুখি বহির্মুখী

বহুতলা ভবন বহুতল ভবন

বাঁশী বাঁশি

বাকী বাকি

বাসকো/বাস্কো বাক্স

বাকযুদ্ধ বাগ্যুদ্ধ

বাঞ্চনীয় বাঞ্ছনীয়

বাঞ্চা/বাঞ্ছা বাঞ্জা

বাড়ী বাড়ি

বাদুর বাদুড়

বানিজ্য বাণিজ্য

বারম্বার, বার বার বারংবার, বারবার

বিকেল বেলা বিকেলবেলা

বারন বারণ

বাসী বাসি

বিদুষক বিদূষক

বিদূষী বিদুষী

বিদ্বৎসমাজ/বিদ্ব্যৎসমাজ বিদ্বৎসমাজ

বিদ্যান বিদ্বান

বিধি বহির্ভুত বিধিবহির্ভুত

বিপদজনক বিপজ্জনক

বিপনন বিপণন

বিপনী/বিপণী বিপণি

বিপদপাত বিপৎপাত

বিপদগ্রস্থ বিপদ্গ্রস্থ

বিবাদমান বিবদমান

বিভিষিকা বিভীষিকা

বিভুতিভূষণ বিভূতিভূষণ

বিশেষতঃ বিশেষত

বিশ্বজিত বিশ্বজিৎ

বিষ্ফোরণ বিস্ফোরণ

বীভৎস্য বীভৎস

বুড়ী বুড়ি

বুদ্ধিজীবি বুদ্ধিজীবী

বুভূক্ষু বুভুক্ষু

বেলোয়াড়ি বেলোয়ারি

বেশী বেশি

বৈচিত্র বৈচিত্র্য

বিদ্যুতীকরণ বৈদ্যুতীকরণ

বৈশিষ্ট বৈশিষ্ট্য

বোধ করি, বোধ হয় (সম্ভবত অর্থে) বোধ করি, বোধ হয়

বউভাত বৌভাত

ব্যাতিক্রম ব্যতিক্রম

ব্যাথা ব্যথা

ব্যাবধান ব্যবধান

ব্যাবসা ব্যবসা

ব্যাবহার ব্যবহার

ব্যাভিচার, ব্যাভিচারী ব্যভিচার, ব্যাভিচারী

ব্যায় ব্যয়

ব্যার্থ ব্যর্থ

ব্যকরণ ব্যাকরণ

ব্যাংক ব্যাঙ্ক (তবে ব্যাংক বানানই বর্তমানে প্রচলিত)

ব্যপক ব্যাপক

ব্যাপি ব্যাপী

ব্যহত ব্যাহত

বুৎপত্তি ব্যুৎপত্তি

ব্রাক্ষণ ব্রাহ্মণ

ভংগ ভঙ্গ

ভংগী/ভঙ্গী ভঙ্গি

ভংগুর ভঙ্গুর

ভনিতা ভণিতা

ভবিষ্যত ভবিষ্যৎ

ভবিষ্যৎবাণী ভবিষ্যদ্বাণী

ভরনপোষণ ভরণপোষণ

ভর্ত্তি ভর্তি

ভষ্ম ভস্ম

ভষ্মীভূত ভস্মীভূত

ভাঙ্গাচোরা, ভেঙেচুরে ভাঙাচোরা, ভেঙেচুরে

ভাণ ভান

ভারী ভারি (অত্যন্ত অর্থে)

ভারি ভারী (ওজনদার, ভার অর্থে)

ভালোবাসা ভালবাসা (প্রেম-অর্থে)

ভালোমতো ভালো মতো

ভাল ভালো [মন্দের বিপরীত অর্থে]

ভাল বাসা ভালো বাসা (একটা ভালো বাসা পেয়েছি)

ভাষ্কর ভাস্কর

ভিখারী ভিখারি

ভীড় ভিড়

ভিৎ ভিত

ভীতু ভিতু

ভিরু ভীরু

ভুড়ি ভুঁড়ি

ভূজ ভুজ (ত্রিভুজ, দশভুজা)

ভূবন ভুবন

ভূল ভুল

ভূল বশতঃ ভুলবশত

ভুত ভূত

ভুতপূর্ব ভূতপূর্ব

ভুমিষ্ট ভূমিষ্ঠ

ভুয়সী ভূয়সী

ভুরিভুরি ভূরিভূরি (প্রচুর অর্থে)

ভুরিভোজন ভূরিভোজন

ভোর বেলা ভোরবেলা

ভৌগলিক ভৌগোলিক

ভ্রমন ভ্রমণ

ভ্রাতিত্ব ভ্রাতৃত্ব

ভ্রাম্যমান ভ্রাম্যমাণ

ভ্রুক্ষেপ ভ্রুক্ষেপ

মজগ মগজ

মজুরী মজুরি

মনচ মঞ্চ

মনজরী মঞ্জুরী

মঞ্জরী, মঞ্জুরী মঞ্জুর, মঞ্জুরি

মৎস মৎস্য

মত মতো

মধুসুদন মধুসূদন

মধ্যস্থ, মধ্যস্থতা মধ্যস্থ, মধ্যস্থতা

মধ্যাহ্ন মধ্যাহ্ন

মনকষ্ট/মনোকষ্ট মনঃকষ্ট

মনক্ষুণ্ন /মনোক্ষুণ্ন মনঃক্ষুণ্ন

মণিহারী দোকান মনিহারী দোকান

মণিষা মনীষা

মনিষী/মনীষি মনীষী

মনমতো মনোমতো/পছন্দসই অর্থে

মনমালিন্য মনোমালিন্য

মন্ত্রনালয় মন্ত্রণালয়

মন্ত্রী পরিষদ/মন্ত্রীমণ্ডলী/মন্ত্রীসভা মন্ত্রিপরিষদ/মন্ত্রিমণ্ডলী/মন্ত্রিসভা

ময়ুর ময়ূর

মরিচিকা/মরিচীকা মরীচিকা

মরুদ্যান মরূদ্যান

মর্ত্য জীবন, মর্ত লোক মর্তজীবন, মর্তলোক

মশারী মশারি

মসী, মসীজীবী মসি, মসিজীবী

মস্তিস্ক মস্তিষ্ক

মহত্ত্বর/মহত্বর মহত্তর

মহত্ত/মহত্য/মহত্ব মহত্ত্ব

মহামতী মহামতি (কিন্তু শ্রীমতী)

মহামারি মহামারী

মহিয়সী মহীয়সী

মাংশ, মাংশাশী/মাংশাসী মাংস, মংসাশী

মাজা ঘষা করা মাজাঘষা করা

মাঝ রাত মাঝরাত

মাঝে মধ্যে মাঝেমধ্যে

মাড়ি (দাঁতের) মাঢ়ী

মানিক্য মাণিক্য (কিন্তু মানিক)

মাথা মোটা মাথামোটা (বোকা অর্থে)

মাননীয়েসু মাননীয়াসু (মহিলার ক্ষেত্রে)

মাননীয়েসু মাননীয়াষু (পুরুষের ক্ষেত্রে)

মানষিকতা মানসিকতা

মানান সই মানানসই

মাণিক মানিক

মার ধর, মার পিট মারধর, মারপিট

মাসী মাসি

মাহাত্য/মাহত্ব/মাহাত্ম মাহাত্ম

মিতালী মিতালি

মিমাংসা মীমাংসা

মুখস্ত মুখস্থ

মূখ্য মুখ্য

মুদ্রন, মুদ্রায়ন মুদ্রণ, মুদ্রায়ণ

মুণিঋষি মুনিঋষি

মুমুর্ষু মুমূর্ষু

মুষ্ঠি মুষ্টি

মুহূর্মুহু মুহুর্মুহু

মুত্র মূত্র

মুর্খ মূর্খ

মুর্তি মূর্তি

মূল্যায়ণ মূল্যায়ন

মৃন্ময়, মৃন্ময়ী মৃন্ময়, মৃন্ময়ী

মুজো মোজা

মোটামোটি মোটামুটি

মুহ্যমান/মূহ্যমান মোহ্যমান

মৌনতা মৌন

মউমাছি মৌমাছি

মৃয়মান ম্রিয়মাণ

যক্ষা যক্ষ্মা

যতো যত

যত না যত

যথাযত যথাযথ

যথেষ্ঠ যথেষ্ট

যদ্যাপি যদ্যপি

যন্ত্রনা যন্ত্রণা

যশলাভ যশোলাভ

যাত্রি যাত্রী

যাবত যাবৎ

যীশুখৃষ্ট যিশুখ্রিষ্ট

য্যানো যেন

জোগান দেওয়া, জোগানো যোগান দেওয়া, যোগানো

রংগ রঙ্গ

রংগালয় রঙ্গালয়

রঙ্গিণ/রঙিণ রঙ্গিন/রঙিন

রথি রথী

রাংগামাটি রাঙ্গামাটি

রাজী (সম্মতি অর্থে) রাজি

রাত্রি বেলা রাত্রিবেলা (তবে রাতের বেলা)

রুগ্ন রুগ্ণ

রাষ্ট্রীক রাষ্ট্রিক

রাষ্ট্রিয় রাষ্ট্রীয়

রুচিবান লোক রুচিমান লোক

রুপালি/রূপালি রূপোলি/রূপালী

রূপায়ন রূপায়ণ

রেশারেশি রেষারেষি

রোপন রোপণ

রিশ্কা রিকশা

লংকা লঙ্কা

লংঘন লঙ্ঘন

লক্ষ লক্ষ (উদ্দেশ্য অর্থে)

লক্ষ্য করা/লক্ষ্য রাখা লক্ষ করা/লক্ষ রাখা

লক্ষন/লক্ষ্যন/লক্ষ্যণ লক্ষণ (চিহ্ন অর্থে) লক্ষ্মণ (রামের ভাই)

লক্ষ্যণীয় লক্ষণীয়

লক্ষী লক্ষ্মী (লক্ষ্মী মেয়ে)

লক্ষীবাজার লক্ষ্মীবাজার

লঘুকরণ লঘূকরণ

লজ্জাষ্কর/লজ্জাস্কর লজ্জাকর

লজ্জা, শরম লজ্জাশরম

লবন লবণ

লাইব্রেরী লাইব্রেরি

লাবন্য লাবণ্য

লীগ লিগ (মুসলিম লিগ, আওয়ামি লিগ)

লিখক লেখক

সথ শখ

শংকা, শংকিত শঙ্কা, শঙ্কিত

সনাক্ত শনাক্ত

স্মরণাপন্ন শরণাপন্ন

শরীক শরিক

সর্ত শর্ত

শশাংক শশাঙ্ক

শষ্য শস্য

শহীদ শহিদ (শহিদ বুদ্ধিজীবী)

শাড়ী শাড়ি

শারীরীক শারীরিক

শ্বাশুড়ি/শাশুড়ী শাশুড়ি

শ্বাশত শাশ্বত

শিক্ষক মণ্ডলী শিক্ষকমণ্ডলী

শিক্ষাঙ্গন শিক্ষাঙ্গণ

শিক্ষাদিক্ষা শিক্ষাদীক্ষা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

শিরচ্ছেদ শিরশ্ছেদ

শিরধার্য শিরোধার্য

শিরনাম শিরোনাম

শিরমণি শিরোমণি

শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ শিশুরোগ-বিশেষজ্ঞ

শীষ শিষ (অর্থ- শিখা; মঞ্জরী)

শুধু মাত্র শুধুমাত্র

শুভাকাংখী/শুভাকাঙ্খী শুভাকাক্সক্ষী

শুশ্রুষা শুশ্রু্ষা

শূণ্য শূন্য

শৃংখল, শৃংখলা/শৃক্সক্ষলা শৃঙ্খল, শৃঙ্খলা

শৈলকুপা শৈলকূপা

সৌখিন শৌখিন

শ্রদ্ধাঞ্জলী শ্রদ্ধাজলি

শ্রদ্ধাভাজনীয় শ্রদ্ধাভাজন

শ্রদ্ধাষ্পদ শ্রদ্ধাস্পদ

শ্রদ্ধাষ্পদেসু শ্রদ্ধাস্পদেষু [পুরুষের ক্ষেত্রে]

শ্রমজীবি শ্রমজীবী

শ্রাবন শ্রাবণ

শ্রীমতি শ্রীমতী

শ্রেয়ষ্কর শ্রেয়স্কর

শ্রেষ্ট শ্রেষ্ঠ

শশুর শ্বশুর

শশ্মান শ্মশান

ষড়যন্ত্র ষড়যন্ত্র

ষষ্ট ষষ্ঠ

ষষ্টীচরণ ষষ্ঠীচরণ

ষান্মাসিক ষাণ্মাসিক

ষষ্ঠদশ ষোড়শ

সংগা/সঙ্গা সংজ্ঞা

সম্বৎসর সংবৎসর

সম্বরণ সংবরণ

সম্বর্ধনা/সম্ভর্ধনা সংবর্ধনা

সম্বলিত সংবলিত

শংস্রব সংস্রব

সকাল বেলা সকালবেলা

সখ্যতা সখ্য

সংঙ্গিন/সঙ্গীন সঙ্গিন (তার অবস্থা সঙ্গিন)

সংগী, সংগে, সংগে সংগে সঙ্গী, সঙ্গে, সঙ্গে সঙ্গে

স্বচ্ছল সচ্ছল (কিন্তু স্বচ্ছন্দ)

সতীন সতিন

সত্তেও/সত্বেও সত্ত্বেও

সত্যজিত সত্যজিৎ

সদ্যস্নাত/সদ্যোস্নাত সদ্যঃস্নাত

সদ্যজাত সদ্যোজাত

সন্ধা সন্ধ্যা, সন্ধে

সন্ধ্যা বেলা/সন্ধে বেলা সন্ধ্যাবেলা/সন্ধেবেলা

সন্যাস, সন্যাসী সন্ন্যাস, সন্ন্যাসী

স্বপক্ষে সপক্ষে

স্বপরিবারে সপরিবারে

সব কিছু সবকিছু

সব চাইতে, সব চেয়ে সবচাইতে, সবচেয়ে

সব শেষে সবশেষে

সব সময় সবসময়

সময় মতো সময়মতো

সমাপ্ত প্রায় সমাপ্তপ্রায়

সমীচিন সমীচীন

সমুদ্র সৈকত সমুদ্রসৈকত

সমৃদ্ধশালী সমৃদ্ধিশালী, সমৃদ্ধ

সন্মত সম্মত

সন্মান সম্মান

সন্মানীয়/সম্মানীয় সম্মাননীয়

সন্মানীত সম্মানিত

সন্মুখ সম্মুখ

সন্মুখীন/সন্মুখিন সম্মুখীন

সন্মেলন সম্মেলন

সরকারী সরকারি

সরণী সরণি

স্বরস্বতী, স্বারস্বত সরস্বতী, সারস্বত

কনিষ্ঠতম সর্বকনিষ্ঠ

সর্বোতভাবে সর্বতোভাবে

শ্রেষ্ঠতম সর্বশ্রেষ্ঠ

সর্বাঙ্গীন সর্বাঙ্গীণ

সর্বান্তকরণে সর্বান্তকরণে

সলজ্জিত সলজ্জ

সশংকিত/সশঙ্কিত/সংশক সশঙ্ক

স্বস্ত্রীক সস্ত্রীক

সহকারীগণ, সহকারীবৃন্দ সহকারিগণ, সহকারিবৃন্দ

সহকারি সহকারী (অথচ সরকারি)

সহাস্য বদন, সহাস্য মুখ সহাস্যবদন, সহাস্যমুখ

সাঁঝ বেলা সাঁঝবেলা (কিন্তু সাঁঝের বেলা)

সাড়াশী, সাঁরাশি সাঁড়াশি

সাংগ সাঙ্গ (সমাপ্ত অর্থে)

সাংগীকরণ, সাংগীকৃত সাঙ্গীকরণ, সাঙ্গীকৃত

স্বাক্ষর সাক্ষর

সাক্ষাত সাক্ষাৎ (কিন্তু সাক্ষাতে)

সাক্ষাতকার সাক্ষাৎকার

সাধারন সাধারণ

সান্তনা সান্ত্বনা

সাফল্য মন্ডিত সাফল্যমণ্ডিত

সামগ্রীক সামগ্রিক

সামর্থ সামর্থ্য

সারাজীবন, সারাদিন, সারাদেশ সারা জীবন, সারা দিন, সারা দেশ ইত্যাদি

স্বার্থক, স্বার্থকতা সার্থক, সার্থকতা

সার্বভৌম্য সার্বভৌম

সাহিত্য কর্ম সাহিত্যকর্ম

ছালাম সালাম

শিঁড়ি সিঁড়ি

সুঁচ/সূচ সুচ (কিন্তু সুঁই, ছুঁচ)

সুতী/সূতি সুতি/সুতো

শুদ্ধ [সমেত অর্থে] সুদ্ধ (সবসুদ্ধ, দেশসুদ্ধ লোক)

সুধি, সুধিগণ, সুধিবর্গ, সুধিবৃন্দ সুধী, সুধীগণ, সুধীবর্গ, সুধীবৃন্দ

সুরুচী সুরুচি

সুষ্টু সুষ্ঠু

সুস্থ্য সুস্থ (কিন্তু স্বাস্থ্য)

সুক্ষ্ম/সূক্ষ সূক্ষ্ম

সূচী, সূচীপত্র সূচি, সূচিপত্র

সুত্রাপুর সূত্রাপুর

সেই সঙ্গে সেইসঙ্গে

সৌজন্যতা সৌজন্য

সোন্দর্য/সৌন্দর্য্য সৌন্দর্য

স্তপ স্তূপ

স্থায়ীভাবে ----------------------------স্থায়িভাবে

স্থুল----------------------------- স্থূল

স্নেহাষ্পদ----------------------- স্নেহাস্পদ

স্পষ্ট বক্তা -------------------------স্পষ্টবক্তা

সচ্ছন্দ, সাচ্ছন্দ্য-------- স্বচ্ছন্দ, স্বাচ্ছন্দ্য



স্বতোসিদ্ধ---------------------- স্বতঃসিদ্ধ

সতন্ত্র------------------------- স্বতন্ত্র

স্বতঃবিরোধ---------------- স্বতোবিরোধ

স্বত্তাধিকারী --------------------স্বত্বাধিকারী

স্বয়ংক্রীয়------------------- স্বয়ংক্রিয়

স্বয়ম্বর সভা----------------- স্বয়ংবর সভা

সস্তি/সস্তি---------------------- স্বস্তি


★সাক্ষর (দস্তখত অর্থে) -----স্বাক্ষর (চিঠিতে কারোর স্বাক্ষর নেই)


স্বাধীকার---------------------- স্বাধিকার

স্বায়ত্ত্বশাসন------------------ স্বায়ত্তশাসন

সাস্থ্য----------------------------- স্বাস্থ্য

স্মরণিকা/স্মরণীকা ---------------স্মরণিকা

স্রোতঃস্বতী ---------------------------স্রোতস্বতী

হটাৎ/হঠাত---------------------- হঠাৎ

হলো/হলো/হোল---------------- হল

হা করা--------------------------- হাঁ করা

হাতড়ানো, হাতড়ে------ হাঁতড়ানো, হাঁতড়ে

হাথ --------------------------------------হাত

হাসি, খুশি ---------হাসিখুশি (লোকটা বেশ হাসিখুশি)

হৃদপিণ্ড--------------------- হৃৎপিণ্ড

হীনমন্যতা -----------------------হীনম্মন্যতা

হৃদস্পন্দন------------------- হৃৎস্পন্দন

হৃৎরোগ----------------------- হৃদরোগ

হোমড়াচোমড়া/হোমরা চোমরা ------------------------হোমরাচোমরা

হাহাশাস ------------------------------হাহাশ্বাস

হতোবুদ্ধি-------------------------হতবুদ্ধি

===========================

 3>কিছু লেখা::--কিছু বানান।


মড়া=মৃতদেহ, লাশ,

         মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা, মড়িঘর।

মরা=ইঁদুর ছানা ভয়ে মরে।

       প্রাণত্যাগ করা, সর্বস্বহারা,

         সর্বনাশগ্রস্থ হওয়া,

         চাকরি গেলে লোকটা মরবে। 

         মরা নদী,ব্যাথা মরা, মরাকান্না,

         মরা কটাল,

         মৃত,শুষ্ক,মজা, নির্জীব,লুপ্ত,

         মরা সোনা,

মরাই= হোগলা বা বেতের তৈরি ধান রাখিবার বৃহদ আধার।



    

=====================

4>চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার::--

বাংলা বর্ণমালার শেষ বর্ণ এটি,

চন্দ্রবিন্দু চাপিলে কোন অক্ষরের মাথায়

সম্পুর্ন মানেটাই বদলে যায়।

★আঁশ ওয়ালা ইলিশ খেতে কেন কর আশ!

টুকরো করে কাটা হলেও ইলিশ মাছে

★কাঁটা থাকে এক রাশ।

নৌকা চালায় ★দাঁড়ি, দাড়ি তার সাদা।


তরিটি তীরেই ছিল ★বাঁধা, ছিলোবা কোন বাধা।

কুড়িটি★ চাঁপা ফুলের ★কুঁড়ি, ঝুড়ি দিয়ে চাপা।

চাউল ভাজা হল,

কতো ফন্দি★ ভাঁজা হল,

বাক্য সাজিয়ে কত ★গাঁথা হল গাথা।

খালি গায়ে বসে ★গাঁয়ে,টাক তার মাথা,

জামাটি কাচা হল, রং ছিল ★কাঁচা।


জমিজমা বেচে দিয়ে ★বেঁচে গেল চাচা।

পাক খেয়ে ★পাঁকে পড়ে কাদা মেখে ★কাঁদা।


★পাঁজি দেখে রাজি হল পাজি এক দাদা।

যার তার শিরে যদি করে আরোহণ

★যাঁর ★তাঁর সর্বনামে সম্মান জ্ঞাপন।

নামের আগেতে কভু চন্দ্রবিন্দু এলে

প্রাণ নাশ হয় তার  স্বর্গলাভ মেলে।


5>বাংলায় চন্দ্রবিন্দু::---


চন্দ্রবিন্দু কোন অক্ষরের মাথায় চাপলে

শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়::---

● আঁশ যুক্ত ইলিশ খেতে মনে জাগে আশ।

●কাটা হ'ল চার টুকরো, কাঁটা এক রাশ।

●নৌকা চালায় দাঁড়ি, দাড়ি তার সাদা।

●তীরেই তরীটি বাঁধা, নেই কোন বাধা।

●কুড়িটি চাঁপার কুঁড়ি, ঝুড়ি দিয়ে চাপা।

●ফন্দি ভাঁজা হ'ল চাল ভাজা মাপা।

●বাক্য সাজিয়ে কত গাঁথা হ'ল গাথা।

●খালি গায়ে বসে গাঁয়ে, টাক তার মাথা।

●জামাখানা কাচাহ'ল, রং ছিল কাঁচা।

●জমিজমা বেচে দিয়ে বেঁচে গেল চাচা।

●পাক খেয়ে পাঁকে পড়ে, কাদা মেখে কাঁদা।

●পাঁজি দেখে রাজি হ'ল পাজি এক দাদা।

●যার তার শিরে যদি করে আরোহন

●যাঁর'তাঁর সর্বনামে সম্মান জ্ঞাপন।

●নামের আগেতে কভু চন্দ্রবিন্দু এলে

●প্রাণনাশ হয়ে তার স্বর্গ লাভ মেলে।

       ( সংগ্রহ)

========================

6>সত্তা, সত্ত্বা, স্বত্বা


শব্দের অর্থসহ বানান ও প্রয়োগ


১. সত্তা

‘সত্তা এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং অন্তরের বিষয়। তাই ব্যক্তি, প্রাণ, অস্তিত্ব, স্থিতি, বিদ্যমানতা, নিত্যতা প্রভৃতি অর্থ প্রকাশে সত্তা লিখতে হবে। যেমন:


ঈশ্বরই একমাত্র সৃতিকর্তা যেখানে দ্বিতীয় কোনো সত্তা নেই।


২. সত্ত্ব/সত্ত্বা

‘সত্ত্ব’ এবং ‘সত্তা’ দুটি সমার্থক। কিন্তু ‘সত্ত্ব’ শব্দটির স্বাধীন ব্যবহার নেই। এটি অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বসে। যেমন:


আমসত্ত্ব

আবার, ‘সত্ত্ব’ শব্দের স্ত্রীবাচক পদ 'সত্ত্বা'। এটিও স্বাধীনভাবে বসে না। অন্য শব্দের সাথে মিলে বসে। যেমন:


অন্তঃসত্ত্বা


৩. স্বত্ব/স্বত্বা

‘স্বত্ব’ শব্দের অর্থ অধিকার, বিষয় সম্পত্তি বা ব্যবসার মালিকানা প্রভৃতি। 'মালিকানাস্বত্ব' এর স্বত্ব এবং 'স্বত্বাধিকার' এর স্বত্বা, দুটোই অধিকার বা মালিকানা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন:


শুভ তার অর্ধেক জমির স্বত্ব আমাকে দিয়েছে (মালিকানা)

সব স্বত্ব চলে গেলেও আমার সম্মান হারাতে দেবো না (সম্পত্তি)

অমুক কোম্পানির স্বত্বাধিকার আমি নিজে (মালিক)

এই জমির মালিকানাস্বত্ব আমার বাবার (অধিকার/মালিকানা)

==============================

 7>কিছু আরবি শব্দ--

●শাবান=শাবান মাসটি  অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ একটি মাস। 

এ রাতে ইবাদত করলে হাজার মাসের ইবাদতের থেকেও অধিক সওয়াব পাওয়া যায়। 

●সাওম= রোজা

●সওয়াব= পুরস্কার। 

●যাকাত এবং সদকাহ= খয়রাত দেয়া

●তারাবিহ প্রার্থনা= মহাপবিত্র কুরআন পড়া

●ইবাদাত =আরবি আবদ শব্দ থেকে এসেছে। এর অর্থ হলো আনুগত্য, দাসত্ব, গোলামী, বন্দেগি ইত্যাদি।

●সেহরি বা সেহেরি বা সাহরী = মুসলিমদের ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী নাশতা বা সকালের খাবার। যা রমযান মাসে অথবা যে কোন দিন সাওম ( রোজা)পালনের উদ্দেশ্যে ফজরের নামাজ বা ঊষার পূর্বে গ্রহণ করা হয়। আবার 

●ইফতার  একটি খাবার, যা সূর্যাস্তের পর রোজা ভাঙার জন্য সকলে মিলে একসাথে খাওয়া হয়। 

=====================

শাবান মাসের শেষ রাত থেকে সমাপ্তি

২৯, অথবা ৩০ রমজান

তারিখ পরিবর্তনশীলভাবে (ইসলামে চাদ দেখা অনুসরণ করে থাকে)

★★[[   শাবান মাসটি  অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ একটি মাস। 

আরবিতে এই মাসের পূর্ণ নাম হলো 'আশ শাবানুল মুআজজম'

 অর্থ মহান শাবান মাস। 

'শাবান' শব্দের অর্থ দূরে ও কাছে, মিলন ও বিচ্ছেদ এবং সংশোধন বা সুশৃঙ্খলা ও ফ্যাসাদ বা বিশৃঙ্খলা। 

শাবান মানে দুটি শাখা বা সাদৃশ্যপূর্ণ ও বৈশাদৃশ্যপূর্ণ।

 ]]★ঈদুল ফিতর, শবে কদর

এই মাসে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম ব্যক্তির উপর সাওম পালন ফরয, কিন্তু অসুস্থ, গর্ভবতী, ডায়বেটিক রোগী, ঋতুবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে তা শিথিল করা হয়েছে। রোজা বা সাওম হল সুবহে সাদিক থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার, পঞ্চইন্দ্রিয়ের দ্বারা গুনাহের কাজ এবং (স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে) যৌনসংগম থেকে বিরত থাকা। এই মাসে মুসলিমগণ অধিক ইবাদত করে থাকে।

★★[[  ইবাদাত আরবি শব্দ

আবদ শব্দ থেকে এসেছে। 

এর অর্থ হলো আনুগত্য, দাসত্ব, গোলামী, বন্দেগি ইত্যাদি। ]]★

★[[ সওয়াব,  একটি আরবি শব্দ,

 যার অর্থ "পুরস্কার"। 

ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, সওয়াব বলতে ভাল কাজ এবং আল্লাহ্‌র প্রতি ভক্তির প্রতিদান স্বরূপ আধ্যাত্মিক পুরস্কারকে বোঝায়।]]

কারণ অন্য মাসের তুলনায় এই মাসে ইবাদতের সওয়াব বহুগুণে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ মাসের লাইলাতুল কদর রাতে পবিত্র আল-কুরআন যা মুসলিমদের সর্বপ্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ, নাযিল হয়েছিল এবং এই রজনীকে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম বলেছেন। 

এ রাতে ইবাদত করলে হাজার মাসের ইবাদতের থেকেও অধিক সওয়াব পাওয়া যায়। 

রমজান মাসের শেষ দিকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে শাওয়াল মাসের ১ তারিখে মুসলমানগণ ঈদুল-ফিতর পালন করে থাকে যেটি মুসলমানদের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে একটি।

=====================

ফরজ=একটি আরবি শব্দ যা অবশ্য কর্তব্য কোন ধর্মীয় আচারকে নির্দেশ করে।