Monday, April 13, 2026

বাংলাদেশের বিখ্যাত দুবলার চর::--

 


বাংলাদেশের বিখ্যাত দুবলার চর::--

বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের দক্ষিণে একটি দ্বীপ যা চর নামে পরিচিত।

দুবলার চর বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি দ্বীপ যা চর নামে হিন্দুধর্মের পূণ্যস্নান, রাসমেলা এবং হরিণের জন্য বহুল পরিচিত। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। এই চরের মোট আয়তন ৮১ বর্গমাইল। আলোরকোল, হলদিখালি, কবরখালি, মাঝেরকিল্লা, অফিসকিল্লা, নারকেলবাড়িয়া, ছোট আমবাড়িয় এবং মেহের আলির চর নিয়ে দুবলার চর গঠিত। দুবলার চরে শুধু মাত্র টেলিটক এর নেটওয়ার্ক রয়েছে।

অবস্থান  বঙ্গোপসাগর
স্থানাঙ্ক
২১°৪৩′২২″ উত্তর ৮৯°৩৬′১০″ পূর্ব
আয়তন
৬৬.৫ বর্গকিলোমিটার (২৫.৭ বর্গমাইল)
দৈর্ঘ্য
১৫ কিমি (৯.৩ মাইল)
প্রস্থ
৫.৫ কিমি (৩.৪২ মাইল)
প্রশাসন বাংলাদেশ ডিভিশন
খুলনা বিভাগ
District:-Bagerhat.

জনসংখ্যা 3000 (২০২০)
ভাষা :-বাংলা
জাতিগত গোষ্ঠীসমূহ:-বাঙালি

দুবলার চর মূলত জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শোকানোর কাজ। বর্ষা মৌসুমের ইলিশ শিকারের পর বহু জেলে চার মাসের জন্য সুদূর কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ, বাগেরহাট, পিরোজপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা থেকে ডেরা বেঁধে সাময়িক বসতি গড়ে সেখানে। মেহেরআলীর খাল, আলোরকোল, মাঝেরচর, অফিসকেল্লা, নারিকেলবাড়িয়া, মানিকখালী, ছাফরাখালী ও শ্যালারচর ইত্যাদি এলাকায় জেলে পল্লী স্থাপিত হয়। এই চার মাস তারা মাছকে শুঁটকি বানাতে ব্যস্ত থাকেন। এখান থেকে আহরিত শুঁটকি চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জের পাইকারী বাজারে মজুদ ও বিক্রয় করা হয়। সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের সদর দপ্তর বাগেরহাট থেকে মাছ সংগ্রহের পূর্বানুমতিসাপেক্ষে বহরদার ও জেলেরা দুবলার চরে প্রবেশ করে থাকেন। দুবলার চর থেকে সরকার নিয়মিত হারে রাজস্ব পেয়ে থাকে। প্রতি বছর বিএলসি বা বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট, ডিএফসি বা ডেইলি ফুয়েল (জ্বালানি কাঠ) কন্‌যাম্পশন ইত্যাদি প্রক্রিয়ায় বন বিভাগকে রাজস্ব প্রদান করে মৎস্য ব্যবসায়ীগণ সুন্দরবনে ঢোকার অনুমতি পান, এছাড়া আহরিত শুঁটকি মাছ পরিমাপ করে নিয়ে ফিরে আসার সময় মাছভেদে প্রদান করেন নির্ধারিত রাজস্ব।

দুবলার চর সুন্দরবনের দক্ষিণ প্রান্তে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে অবস্থিত একটি মৌসুমি জেলে পল্লী, যা বাংলাদেশে শুঁটকি উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। প্রতিবছর বর্ষার মৌসুম শেষে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে, যেমন খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার থেকে হাজারো জেলে এখানে এসে সাময়িক বসতি স্থাপন করেন। এই জেলেরা মূলত মাছ শিকার এবং শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে ব্যস্ত থাকেন। মাছ শিকারের অনুমতি নিতে তারা সুন্দরবনের পূর্ব বন বিভাগের নিয়মিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন, যার মধ্যে রয়েছে বিএলসি (বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট) এবং ডিএফসি (জ্বালানি কাঠের জন্য প্রতিদিনের ফি)।[৩]

মেহেরআলীর খাল, আলোরকোল, মাঝেরচর, নারিকেলবাড়িয়া, মানিকখালী এবং শ্যালারচরসহ বিভিন্ন স্থানে জেলেরা পল্লী গড়ে তোলেন। শুঁটকি প্রক্রিয়ার জন্য লইট্টা, তেলফ্যাসা, ছুরি, চাকা চিংড়ি, বৈরাগী এবং রূপচাঁদার মতো মাছ শুকানো হয়। শিকারের পর মাছগুলো বাছাই করে শুকাতে দেওয়া হয়, যা প্রস্তুত হতে তিন থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। শুকনো মাছ চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জ পাইকারি বাজারে পাঠানো হয়, যেখানে তা সারা দেশে বিতরণ করা হয়।

এই শুঁটকি শিল্প স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। শুটকি উৎপাদন এবং সরবরাহ প্রক্রিয়া থেকে সরকারের উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ অঞ্চল থেকে ৪,১০৫ টন শুঁটকি উৎপাদিত হয়েছিল, যা থেকে সরকার ২.৬৮ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করে। পরবর্তী সময়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়ে ৫,১০০ টনে পৌঁছায় এবং রাজস্ব আয় দাঁড়ায় ৬.৬৮ কোটি টাকা।

দুবলার চরের এই মৌসুমি কার্যক্রমে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ সরাসরি জড়িত থাকেন। জেলেদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর জন্য চর এলাকায় অস্থায়ী বাজার গড়ে ওঠে, যেখানে খাদ্য, পোশাক এবং দৈনন্দিন ব্যবহার্য সামগ্রী পাওয়া যায়। এই অস্থায়ী গ্রামে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুতের সীমিত ব্যবস্থাও থাকে। তবে খাবার পানি এবং স্বাস্থ্যসেবার অভাব এখানকার মানুষের জন্য বড় একটি সমস্যা।

শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণের পাশাপাশি দুবলার চর ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবের জন্যও পরিচিত, যা প্রতিবছর আলোরকোলে আয়োজন করা হয়। মাছ শিকার, শুঁটকি প্রস্তুতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংমিশ্রণে দুবলার চর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রাসমেলা::----

প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসে (খ্রিস্টীয় নভেম্বর) হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাসমেলা এবং পূণ্যস্নানের জন্যও দ্বীপটি বিখ্যাত। যদিও বলা হয়ে থাকে, ২০০ বছর ধরে এ রাসমেলা হয়ে চলেছে । তবে জানা যায়, ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে হরিচাঁদ ঠাকুরের এক বনবাসী ভক্ত, নাম হরিভজন (১৮২৯—১৯২৩), এই মেলা চালু করেন। প্রতিবছর অসংখ্য পুণ্যার্থী রাসপূর্ণিমাকে উপলক্ষ করে এখানে সমুদ্রস্নান করতে আসেন। দুবলার চরে সূর্যোদয় দেখে ভক্তরা সমুদ্রের জলে ফল ভাসিয়ে দেন। কেউবা আবার বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ভজন-কীর্তন গেয়ে মুখরিত করেন চারপাশ। দুবলার চরের রাসমেলায় স্থানীয় লোকজন ছাড়াও দূর-দূরান্তের শহরবাসী এমনকি বিদেশি পর্যটকেরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে থাকেন। তিনদিনব্যাপী এ মেলায় অনেক বিদেশী পর্যটকেরও সমাগম হয়।

★★দুবলার চরে লাল বুক মাছরাঙা, মদনটাক পাখির দেখা পাওয়া যায়। পশুদের মধ্যে আছে হরিণ।

দুবলার চরের জেলে পল্লীতে বনদস্যুদের উৎপাত, খাবার পানির অভাব, স্বাস্থ্য সেবা সংকট, বাঘ ও কুমিরের আক্রমণ, নিম্ন মজুরি ইত্যাদি প্রায় প্রতি মৌসুমের নৈমিত্তিক ঘটনা। এছাড়া বড়সড় ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছাসে বিপর্যস্থ হয় দুবলার চরের জেলে পল্লী। বনদস্যুদের উৎপাত ঠেকাতে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ ও বন বিভাগের প্রহরীরা থাকলেও সমন্বিত উদ্যোগের অভাব ছিল। অবশেষে ২০১২ সালে র‌্যাব মহাপরিচালককে প্রধান করে সুন্দরবনের জলদস্যু দমনের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন হয়েছিল। সাংবাদিক মোহসীন-উল-হাকীমের মধ্যস্থতায় ২০১৬ সালের ৩১ মে মাস্টার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সুন্দরবনের দস্যুমুক্তকরন শুরু হয় এবং ১ নভেম্বর ২০১৮ জলদস্যুদের সর্বশেষ ৬ টি বাহিনী আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সুন্দরবনের প্রায় ৪০০ বছরের জলদস্যুতার অবসান ঘটে। দুবলার চরে শুধু টেলিটক(আমাদের ফোন) এর নেটওয়ার্ক রয়েছে।

তথ্যসূত্র::---
"দারুণ ১০ সুন্দর: দুবলার চর", শতদল সেন যিশু; A টু Z, পৃ্ষ্ঠা ৮-৯, দৈনিক কালের কণ্ঠ;২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০।
নাসিম আলী (৬ অক্টোবর ২০০৯)। "..."। পৃষ্ঠা .., দৈনিক ইত্তেফাক।
রায়, দীপংকর (২৪ নভেম্বর ২০২৪)। "দুবলার চরের শুটকি বাণিজ্য"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২৪।
রিদওয়ান আক্রাম (১ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। "দুবলার চর"। পৃষ্ঠা ৯, অন্য কোনোখানে, দৈনিক কালের কন্ঠ।
সাইমন জাকারিয়া (৪ ডিসেম্বর ২০০৯)। "হেমন্তের উৎসব"। দৈনিক প্রথম আলো।
"বনে দোলে রাধা-কৃষ্ণ", সীমান্ত দীপু; A টু Z, পৃ্ষ্ঠা ৯, দৈনিক কালের কণ্ঠ;২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০।
          (সংগ্রহীত)
========================

Thursday, April 9, 2026

22>মাইল স্টোনের রং::---

 22>মাইল স্টোনের রং::---

Yellow-white-->National High Way

Green--white-->State High way

Black/blue--White-->City/District

                           .       পৌরসভা   Road

Orange--white-->Rural Road

   (PMGSY প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা রাস্তা)


Road এর পাশে 

লাল--সাদা -->রেলিং--রেলের সীমানা

বাদামি / ধূসর--->ফ্লাইওভার।


Wednesday, April 8, 2026

21>★যে নিজেকে সম্মান করতে জানে

 21>★যে নিজেকে সম্মান করতে জানে

সে সর্বত্রই সম্মানের যোগ্যতা অর্জন করে।

★যে সময়ের মূল্যবোঝে 

   সময় তাঁকে শ্রেষ্ঠ আসন দেয়।

★প্রতিভা অনেকেরই থাকতে পারে,

  কিন্তু জীবনে শৃঙ্খলার গুরুত্ব অধিক।

★ব্যর্থতা কোন হতাশার কারণ নয়,

   ব্যর্থতা অনেক শেখার সুযোগকরে দেয়।

★জীবনে বন্ধু অতি প্রয়োজন,

  কিন্ত বন্ধু নির্বাচন করাই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।

★অস্ত্রে থেকেও কথার/কলমের শক্তি অধিক।

★রাগ/ ক্রোধ জীবনকে ধ্বংস করে।

★লোভ/স্বার্থপরতা জীবনকে খর্ব করে।

★সুস্থ শরীরই আসল সম্পদ।

★সততাই জীবনে বিশ্বাসের পথ সুন্দর করে।

★ভাগ্য সর্বদা চেষ্টার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে।

★জীবনে প্রয়োজনে "না" বলতেও জানতে হয়।

★কর্মই জীবনে গীতি প্রদান করে,

★কর্ম হীন জীবন মৃত ব্যক্তির সমান।

★সকলে যা করেছে অন্ধের মতন সেই কাজ অনুসরণ করা কোন বুদ্ধিমত্তার নিদর্শন নয়।

★কৃতজ্ঞতাই মানুষকে প্রকৃত সুখী করে।

=======================


★जो खुद का सम्मान करना जानता है

वह हर जगह सम्मान के हकदार हैं।


★ जो समय का मूल्य समझते है

   समय उसे सबसे अच्छी सम्मान देते है।


★बहुत से लोगों में प्रतिभा हो सकती है,

  लेकिन जीवन में अनुशासन अधिक महत्वपूर्ण है।

★असफलता से कोई निराशा नहीं होना चाहिए,

   असफलता बहुत कुछ सीखने की पेशकश करती है।

★आपको अपने जीवन में दोस्तों की जरूरत है,

  लेकिन दोस्त चुनना बुद्धिमत्ता की निशानी है।

★शब्दों/कलम की शक्ति एक हथियार की तुलना में अधिक होती है।

★क्रोध जीवन को नष्ट कर देता है।

★लालच/स्वार्थ जीवन को बर्बाद कर देता है।

★स्वस्थ शरीर ही असली धन है।

★ईमानदारी जीवन में विश्वास के मार्ग को सुंदर बनाती है।

★भाग्य हमेशा प्रयास से बनता है।

★आपको यह जानना होगा कि जीवन में "नहीं" कैसे कहना है।

★कर्म जीवन का गीत है,

★काम के बिना जीवन एक मृत व्यक्ति के समान है।

★एक अंधे आदमी की तरह हर किसी ने जो किया है उसका पालन करना बुद्धिमानी नहीं है।

★कृतज्ञता वह है जो लोगों को खुश करती है।

=======================


Sunday, January 25, 2026

20>জীবনের উদ্যেশ্য

 20>জীবনের উদ্যেশ্য


আমার জীবনে একমাত্র উদ্যেশ্য নিজেকে চেনা,  

এর জন্য আমার প্রশ্ন 

নিজেকে নিজেরই প্রশ্ন 

কে আমি? 

আমার জন্ম হয়েছে কেন?

 এই এক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলেছি আমি

মাঝে মাঝে পথভ্রষ্ঠ হয়ে নানান ভাবনায় ভুলে গিয়ে নিজের উদ্যেশ্য কেই ভুলে যাই। এবং এটাই আমার ব্যর্থতা।

এ-হেন ব্যর্থতা কে জয় করতেই হবে,

নাহলে জীবনটাই যে বৃথা হয়ে যাবে।

অতএব আজ 04/12/2025  থেকে 

আমার একমাত্র কাজ হবে নিজেকে জানা। আ-প্রাণ চেষ্টা করতে হবে নিজেকে জানতে।

===============

 নিজেকে জানার সহজ উপায়

নিজেকে জানার সহজ উপায় হলো নিয়মিত আত্ম-পর্যালোচনা করা, নিজের অনুভূতি ও চিন্তাগুলো বোঝা, বাস্তবতার নিরিখে নিজেকে মূল্যায়ন করা, এবং নিজের শক্তি ও দুর্বলতার প্রতি সচেতন থাকা। পাশাপাশি, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করা এবং নিজের মূল্যবোধের সাথে সঙ্গতি রেখে কাজ করাও নিজেকে জানার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 

নিজেকে জানার কিছু সহজ উপায়:

★আত্ম-পর্যালোচনা করা:--নিয়মিত নিজের চিন্তা, অনুভূতি, এবং আচরণের উপর মনোযোগ দিতে হবে। কেন আপনি নির্দিষ্ট কিছু অনুভব করেন বা করেন, তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

★নিজের শক্তি ও দুর্বলতা বুঝতে হবে::-- নিজের ভালো গুণাবলী এবং যেসব ক্ষেত্রে নিজের উন্নতি করা প্রয়োজন, সে সম্পর্কে বাস্তবসম্মত ধারণা তৈরি করতে হবে।

★নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে:-- নতুন শখ বা কার্যকলাপ চেষ্টা করতে হবে।  নিজের লুকানো প্রতিভাকে আবিষ্কার করতে এবং নতুন কিছু শিখতে সাহায্য করতে পারে।

★নিজের মূল্যবোধের সাথে সঙ্গতি রাখতে হবে:-- নোজের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ, তা চিহ্নিত করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী নিজের জীবনযাপন করতে হবে। এটি  নিজের প্রতি আরও সত্য হতে সাহায্য করবে।

★ভয়কে অতিক্রম করতে হবে:-- নিজের ইচ্ছা পূরণের জন্য ঝুঁকি নিতে এবং ভয়কে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, অভিযোগ করা সহজ, কিন্তু কাজ করা কঠিন। 

 বাস্তবতার সঠিক মূল্যায়নঃ অনেক সময় আমরা নিজেদের সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করি। হয়তো আমরা নিজেদেরকে অন্যের তুলনায় বেশি শক্তিশালী বা  বেশি বুদ্ধিমান মনে করি।

এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

======================


Tuesday, December 9, 2025

19>No=মনে New Opportunity

  স্বামী দিব্যানান্দজী মহারাজে শেখালেন 

নেতিবাচকতাকে কীভাবে ইতিবাচকে রূপান্তর করা যায়।

 শেখালেন কিছু বুদ্ধিদীপ্ত সংক্ষিপ্ত রূপ (acronym)।

• NO: = অর্থাৎ “New Opportunity” – কেউ যদি ‘না’ বলে, ভাবো এটা নতুন সম্ভাবনা।

• FAIL: মানে “First Attempt In Learning” – ব্যর্থতা মানেই প্রথম চেষ্টায় শেখা।

• WATCH: মানে নিজের Words, Actions, Thoughts, Character, Habit-এর উপর নজর দাও।

• STRUGGLE: মানে “Surrender To Ramakrishna And U (You) Get Genuine Love Easily”।

• PEPSI: মানে “Play well, Eat well, Pray well, Study well, and Integrate Well”।

• END: মানে “Efforts Never Die” – পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না।

=====================


Friday, November 21, 2025

18>উত্তর + দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা।

 


18>উত্তর + দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা।


উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতা শহরের উত্তরপূর্ব দিকের সবচেয়ে জনবহুল জেলা। জেলাটি প্রেসিডেন্সি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে (১৩৯০ বঙ্গাব্দে) ডা. অশোক মিত্রের প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি এই জেলাকে বিভাজনের সুপারিশ করেন। ১ মার্চ ১৯৮৬-এ (১৬ ফাল্গুন ১৩৯২-এ) চব্বিশ পরগনা জেলাকে দ্বিখণ্ডিত করে ওই জেলার উত্তরাংশ নিয়ে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা স্থাপন করা হয়৷ এর প্রশাসনিক ভবন ও সদর দপ্তর বারাসত শহরে অবস্থিত৷ বারাসত, ব্যারাকপুর, বনগাঁ, বসিরহাট, বিধাননগর এই পাঁচটি মহকুমা নিয়ে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা গঠিত।


মহকুমা::--5 টি-->বারাসত, ব্যারাকপুর,

                 বসিরহাট, বনগাঁ, বিধাননগর।

প্রশাসনিক দপ্তর;::-->বারাসত।



 • লোকসভা কেন্দ্র

১. বনগাঁ, ২. ব্যারাকপুর, ৩. দমদম, ৪. বারাসত, ৫. বসিরহাট



 • বিধানসভা আসন

১. বাগদা, ২. বনগাঁ উত্তর, ৩. বনগাঁ দক্ষিণ, ৪. গাইঘাটা, ৫. স্বরূপনগর, ৬. বাদুড়িয়া, ৭. হাবড়া, ৮. অশোকনগর, ৯. আমডাঙা, ১০. বীজপুর, ১১. নৈহাটি, ১২. ভাটপাড়া, ১৩. জগদ্দল, ১৪. নোয়াপাড়া, ১৫. ব্যারাকপুর, ১৬. খড়দহ, ১৭. দমদম উত্তর, ১৮. পানিহাটি, 19. কামারহাটি, ২০. বরানগর বিধানসভা কেন্দ্র, ২১. দমদম, ২২. রাজারহাট নিউটাউন, ২৩. বরানগর, ২৪. রাজারহাট গোপালপুর, ২৫. মধ্যমগ্রাম, ২৬. বারাসত, ২৭. দেগঙ্গা, ২৮. হাড়োয়া, ২৯. মিনাখাঁ, ৩০. সন্দেশখালি, ৩১. বসিরহাট দক্ষিণ, ৩২. বসিরহাট উত্তর, ৩৩. হিঙ্গলগঞ্জ।

আয়তন

 • মোট

৪,০৯৪ বর্গকিমি (১,৫৮১ বর্গমাইল)

জনসংখ্যা (২০১১)

 • মোট

১,০০,০৯,৭৮১

 • জনঘনত্ব

২,৪০০/বর্গকিমি (৬,৩০০/বর্গমাইল)

জনতাত্ত্বিক

 • সাক্ষরতা

৮৪.০৬ শতাংশ[২]

 • লিঙ্গানুপাত

৯৫৫

প্রধান মহাসড়ক

এনএইচ ১২, এনএইচ ১১২

গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত

১৫৭৯ মিমি

=====================

■■◆◆■■■◆◆◆◆◆■■■■■■◆


দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা


দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা হল ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের প্রেসিডেন্সি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশাসনিক জেলা। এই জেলার সদর আলিপুরে অবস্থিত। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার উত্তর দিকে কলকাতা ও উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা, পূর্ব দিকে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, পশ্চিম দিকে হুগলি নদী ও দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। এই জেলাটি আয়তনের দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম ও জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা। জনসংখ্যার নিরিখে ভারতের ৭৩৯টি জেলার মধ্যে এই জেলার স্থান ষষ্ঠ। এই জেলার এক দিকে কলকাতা মহানগরীর একাংশ এবং অপর দিকে সুন্দরবন অঞ্চলের বনাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী গ্রামগুলির অবস্থান। ১৯৮৬ সালের ১ মার্চ চব্বিশ পরগনা জেলা বিভাজিত করে এই জেলাটি গঠন করা হয়।


দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

পশ্চিমবঙ্গের জেলা::----->


উপর থেকে ঘড়ির কাঁটার ক্রমে: গঙ্গাসাগর কপিলমুনি মন্দির, বোয়ালি রাজবাড়ি, নিমপীঠ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, সুন্দরবনের বাঘ,শ্রী স্বামীনারায়ণ মন্দির, জটার দেউল।


 • মহকুমা::---->

আলিপুর সদর, বারুইপুর, ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার, কাকদ্বীপ।

 • সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক

ঠাকুরপুকুর মহেশতলা, বজবজ ১, বজবজ ২, বিষ্ণুপুর ১, বিষ্ণুপুর ২, ভাঙড় ১, ভাঙড় ২, সোনারপুর, বারুইপুর, জয়নগর ১, জয়নগর ২, কুলতলি, ক্যানিং ১, ক্যানিং ২, বাসন্তী, গোসাবা, ফলতা, মগরাহাট ১, মগরাহাট ২, ডায়মন্ড হারবার ১, ডায়মন্ড হারবার ২, মন্দিরবাজার, মথুরাপুর ১, মথুরাপুর ২, কুলপি, কাকদ্বীপ, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, সাগর



 • লোকসভা কেন্দ্র::---->

জয়নগর (তফসিলি জাতি), মথুরাপুর (তফসিলি জাতি), ডায়ন্ড হারবার, যাদবপুর (আংশিক), কলকাতা দক্ষিণ (আংশিক)


 • বিধানসভা কেন্দ্র::---->

গোসাবা (তফসিলি জাতি), বাসন্তী (তফসিলি জাতি), কুলতলি (তফসিলি জাতি), পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, সাগর, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার (তফসিলি জাতি), জয়নগর (তফসিলি জাতি), বারুইপুর পূর্ব (তফসিলি জাতি), ক্যানিং পশ্চিম (তফসিলি জাতি), ক্যানিং পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, মগরাহাট পূর্ব (তফসিলি জাতি), মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া, বিষ্ণুপুর (তফসিলি জাতি), সোনারপুর দক্ষিণ, ভাঙড়, সোনারপুর উত্তর, মহেশতলা, বজবজ

আয়তন

 • মোট

৯,৯৬০ বর্গকিমি (৩,৮৫০ বর্গমাইল)

জনসংখ্যা (২০১১)

 • মোট

৮১,৬১,৯৬১

 • জনঘনত্ব

৮২০/বর্গকিমি (২,১০০/বর্গমাইল)

জনপরিসংখ্যান

 • সাক্ষরতা

৭৮.৫৭ %




প্রধান সড়কপথ

১২ নং জাতীয় সড়ক, ১ নং রাজ্য সড়ক, ৩ নং রাজ্য সড়ক

গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত

১৭৫০ মিমি


৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করা সুন্দরবনের কিছু অংশ, যার নামকরণ করা হয়েছে সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান, এই জেলায় অবস্থিত। এই উদ্যানটি একটি জাতীয় উদ্যান, ব্যাঘ্র প্রকল্প ও বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এখানকার সজনেখালিতে, লুথিয়ান দ্বীপে ও হ্যালিডে দ্বীপে বর্তমানে আরও তিনটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে। এছাড়া, পাথরপ্রতিমার কাছে ভগবতপুর কুমির প্রকল্প এবং সজনেখালিতে পাখিরালয় রয়েছে। ১৯৮৯ সালে সুন্দরবনের এই ভারতীয় অংশকে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ঘোষণা করা হয়।

===+==++++============


Monday, September 16, 2024

17>অশোক চক্র::--

   17>অশোক চক্র::---

অশোক চক্রের 24টি স্পোকের অর্থ::---


1)প্রথম চক্র--> শুদ্ধতা (chastity/Purity)

 2) দ্বিতীয় চক্র-->স্বাস্থ্য(Health)

3) তৃতীয় চক্র--> শান্তি (Peace)

4) চতুর্থ চক্র -->ত্যাগ (Sacrifice)

5) পঞ্চম চক্র--> নৈতিকতা (Morality)

6)ষষ্ঠ চক্র--> সেবা (service)

7) সপ্তম এক্র--> ক্ষমা (Forgiveness)

৪) অষ্টম চক্র--> প্রেম (Love)

9)নবম চক্র--> বন্ধুত্ব (Friendship)

10) দশম চক্র--> ভ্রাতৃত্ব (Fraternity)

11) একাদশ চক্র-->সংগঠন (Organization)

12) দ্বাদশ চক্র -->কল্যান (Welfare)

13) এয়োদশ চক্র--> সমৃদ্ধি (Prosperity)

14) চতুর্দশ চক্র--> শিল্প (Industry)

15) পঞ্চদশ চক্র--> নিরাপত্তা (safely security)

16) ষোড়শ চক্র--> সচেতনতা (Awareness)

(7) সপ্তদশ চক্র--> সমতা (Equality)

18) অষ্টাদশ চক্র-->অর্থ (wealth/Finance)

19)ঊনবিংশ চক্র--> নীতি (Ethies/Policy)

20) বিংশ চক্র--> ন্যায়বিচার (Justice)

21)একবিংশ চক্র-->সহযোগিতা (Cooperation)

22) বাইশতম চক্র--> কর্তব্য (Deity)

23) এয়োবিংশ চক্র--> অধিকার (Rights)

24) চব্বিশতম চক্র--> প্রজ্ঞা (wisdom)

============================


==================

 24 টি স্পোকের অর্থ কী?

ভারতীয় জাতীয় পতাকায়  অশোক চক্র একটি সাদা পটভূমিতে নেভি ব্লু রঙে রেন্ডার করা হয়েছে। অশোক চক্রের 24 টি স্পোক রয়েছে যা প্রতিটি ভারতীয়কে 24 ঘন্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করে।  অশোক চক্রের 24 টি শলাকার অর্থ ::-----

অশোক চক্র হল "ধর্মচক্র" এর চিত্র যা 24 টি শলাকা দিয়ে উপস্থাপন করা হয়।

যার প্রতিটি আলাদা আলাদা অর্থ ব্যাখ্যা করে::---

●1. প্রথম :-   সংযম= সতীত্ব (সাধারণ জীবন যাপন করতে অনুপ্রাণিত করে)

●2. দ্বিতীয় :- আরোগ্য= স্বাস্থ্য (শরীর ও মন থেকে সুস্থ থাকতে অনুপ্রাণিত করে)

●3. তৃতীয় :- শান্তি (সারা দেশে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য)

●4. চতুর্থ :- ত্যাগ (দেশ ও সমাজের স্বার্থে যে কোন ত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকা)

●5. পঞ্চম :-  নৈতিকতা (পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনে উচ্চ নৈতিকতা বজায় রাখা)

●6. ষষ্ঠ :-  সেবা (প্রয়োজনে দেশ ও সমাজের সেবা করতে প্রস্তুত)

●7. সপ্তম :-  ক্ষমা (মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর প্রতি ক্ষমার অনুভূতি)

●8. অষ্টম :-  প্রেম (দেশ এবং ঈশ্বরের অন্যান্য সমস্ত প্রাণীর প্রতি ভালবাসার অনুভূতি)

●9. নবম :-  বন্ধুত্ব (সকল নাগরিকের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রাখা)

●10. দশম:-  ভ্রাতৃত্ব (দেশে ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলার জন্য)

●11. একাদশ :- সংগঠন (জাতির ঐক্য ও অখণ্ডতা শক্তিশালীকরণ)

●12. দ্বাদশ:- কল্যাণ (দেশ ও সমাজ সম্পর্কিত কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ)

●13. ত্রয়োদশ :- সমৃদ্ধি (দেশের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করুন)

●14. চতুর্দশ :- উদ্যোগ= শিল্প (দেশকে তার শিল্প অগ্রগতিতে সহায়তা করার জন্য)

●15. পনেরো স্পোক:-সুরক্ষা=  নিরাপত্তা (দেশের সুরক্ষার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকা)

●16. ষোড়শ বক্তৃতা:- সচেতনতা (সত্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং গুজবে বিশ্বাস না করা)

●17. সপ্তদশ বক্তৃতা:-   সমতা (সমতার ভিত্তিতে একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা)

●18. অষ্টাদশ:- অর্থ (অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার)

●19. ঊনিশতম :- নীতি (দেশের নীতিতে বিশ্বাস রাখা)

●20. বিংশতম :- ন্যায়বিচার (সবার জন্য ন্যায়বিচারের কথা বলা)

●21. একুশটি:- সহকার্য=সহযোগিতা (একত্রে কাজ করা)

●22. বাইশতম :- কর্তব্য (সততার সাথে আপনার দায়িত্ব পালন করা)

●23. তেইশতম:- অধিকার (আপনার অধিকারের অপব্যবহার করবেন না)

●24. চব্বিশতম :- প্রজ্ঞা (বইয়ের বাইরে জ্ঞান থাকা)

সুতরাং, অশোক চক্রের প্রতিটি শলাকার নিজস্ব অর্থ রয়েছে। সকল অর্থ বা নির্দেশ  দেশের সার্বিক উন্নয়নের কথা বলে। সকল নির্দেশ  দেশবাসীকে তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট বার্তা দেয়। এই নির্দেশ গুলি 24 টি নীতির মতো যা আমাদের  অনুসরণ করা উচিত  জাতি, ধর্ম, ভাষা নির্বিশেষে।

কখনো এমনও বলা হয়

★1>সংযম,===संयम,

★2>আরোগ্য,==आरोग्य,

★3>শান্তি,====शांति,

★4>শীল, ====शील,

★5>ত্যাগ,====त्याग,

★6>ক্ষমতা,=== क्षमता,

★7>সেবা,====सेवा,

★8>মৈত্রী,====मेत्री,

★9>প্রেম,====प्रेम,

★10>বন্ধুত্ব,===बन्धुत्व,

★11>সংগঠন,==संगठन,

★12>কল্যাণ,==कल्याण,

★13>অধিকার,=अधिकार,

★14>কর্তব্য===कर्तव्य,

★15>সহকার্য,== सरकार्य,

★16>ন্যায়,====न्याय,

★17>নীতি,====निति,

★18>অর্থ,====अर्थ,

★19>সমতা,===समता,

★20>নিয়ম,===नियम,

★21>ব্যাবস্থা,==ब्यावस्था,

★22>সুরক্ষা,==सुरक्षा,

★23>উদ্যোগ,==उद्योग,

★24> সমৃদ্ধি,===समृद्धि,

<======================_