Monday, July 6, 2026

31>ওড়িশার বালেশ্বরের নীলগিরির পঞ্চলিঙ্গেশ্বর::--

 31>ওড়িশার বালেশ্বরের নীলগিরির পঞ্চলিঙ্গেশ্বর::--


ওড়িশার বালেশ্বরের নীলগিরির পাহাড়ে পঞ্চলিঙ্গেশ্বর শিবকে চাক্ষুসনয় হাতের স্পর্শে খুঁজে নিয়ে মনেমনে দেখে নিতে হয়।

মন্দিরে গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছলেই 

এক দন্ডধারী পালোয়ান বলেন, “চোখে নয়, হাত দিয়ে মহাদেবকে খুঁজে নিন” এবং এই ভাবেই এখানে শিবের স্পর্শ দর্শন করতে হয়।


 নীলগিরি পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এই প্রাচীন শিবমন্দিরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এখানে পাঁচটি শিবলিঙ্গ সারাবছরই পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ ঝরনার জলের নিচে নিমজ্জিত থাকে। তাই শিবলিঙ্গগুলি চোখে দেখা যায় না।ঠান্ডা জলে হাত ডুবিয়ে একে একে পাঁচটি শিবলিঙ্গ স্পর্শ করে  করে প্রণাম করতে হয় ।এই অনন্য অভিজ্ঞতার জন্যই মন্দিরটি অন্য সব শিবমন্দির থেকে আলাদা।


পাঞ্চলিঙ্গেশ্বর নামের অর্থই হলো পাঁচটি শিবলিঙ্গের অধিষ্ঠান। পুরাণ অনুযায়ী,পাণ্ডবরা তাঁদের অজ্ঞাতবাসের সময় এই পাঁচটি শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।


আর একটি অবাক করার বিষয় হলো- সাধারণত বেলপাতা তিনটি পত্রক নিয়ে গঠিত হয়, যা শিবপূজায় অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। কিন্তু পাঞ্চলিঙ্গেশ্বরে একটি বেলগাছ রয়েছে, যার পাতায় পাঁচটি পত্রক দেখা যায়।


ওখানকার এক পূজারীর কাছে জানতে পারলাম - মন্দিরের আশেপাশে একটি সাপ বাস করে, যে নাকি মহাদেবের রক্ষক।

সেই সাপটি দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। মন্দির বেষ্টিত গাছের গাড়িতে জড়িয়ে ছিল।

এখানে মন্দির মানেই বিশাল গাছের গুড়ির শিকড় দিয়ে ঘেরা পাহাড়ের ফাটলের উপরে গজিয়ে উঠা মন্দিরকে বেষ্টিত করে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল গাছ।



No comments:

Post a Comment